Slideshows

http://www.bostonbanglanews.com/index.php/components/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নানান আয়োজন

বস্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা

রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

সময় যায়। সময় যাওয়ার সময় বদলে যায় অনেক কিছুই। এ হলো পরম সত্য। সময় যেন এক প্রবহমান মহাসমুদ্র। কেবলই সামনের এগিয়ে যাওয়া, পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। তাই তো জীবন এত গতিময়। সেই গতির ধারাবাহিকতায় মহাকালের প্রেক্ষাপটে একটি বছর মিলিয়ে গেল। আজ আলোড়িত আন্দোলিত বর্ষ বিদায়ের দিন। জীর্ণ ঝরা পল্লবের মতো সরল রৈখিক গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে আজ খসে পড়বে ‘২০১৭’। মধ্যরাতে নতুন বছর ২০১৮-কে স্বাগত জানানোর উৎসবের বাঁশি বেজে উঠবে সবার প্রাণে। বহু ঘটনার জন্ম দিয়ে মহাকালের পরিক্রমায় বিদায় নিল আরও একটি বছর। মিথ্যার কুহেলিকা ভেদ করে সত্য প্রতিষ্ঠিত এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অভূতপূর্ব পুনর্জাগরণ ঘটিয়ে চিরকালের জন্য আজ হারিয়ে যাচ্ছে ঘটনাবহুল ২০১৭ সাল। বাংলাদেশের ৪৬ বছরের অনেক ইতিহাস বদলে দিয়েছে বিদায়ী বছরটি। সূচনা করেছে জাতীয় জীবনে ও রাজনীতির ইতিহাসে এক অভিনব অধ্যায়ের। যে ভয়াল জঙ্গী সন্ত্রাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সারাবিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করার সুগভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল দু’বছর আগে থেকে, শেষ পর্যন্ত সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত আর ভয়াল জঙ্গীবাদকে শক্তহাতে দমন করে বিপুল উন্নয়ন আর জনমনে শান্তি-স্বস্তি দিয়েই বিদায় নিল ২০১৭ সাল। অনেক ঘটনা, অঘটন, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, চড়াই-উৎরাই, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ও আনন্দ-বেদনার সাক্ষী হয়ে কালের গর্ভে আজ হারিয়ে যাচ্ছে এ বছরটি।

Boston Bangla News SaKiL 1

 ‘‘নতুন আশা নতুন প্রাণ/নতুন সুরে নতুন গান/নতুন উষা নতুন আলো/ নতুন বছর কাটুক ভালো…৷ আসুন, অতীতের সকল হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে, একে অপরের বন্ধু হয়ে মিলে-মিশে থাকি৷দেশকে ভালোবাসি অতীতের সব গ্লানি মুছে দিয়ে আগামী বছরে নতুন সাফল্যে উদ্ভাসিত হউক সবার জীবন - এই কামনায় নববর্ষে সকল পাঠক-লেখক-শুভানুধ্যায়ী সহ বাংলাদেশ, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা তথা বিশ্ববাসী সকলকে বস্টন বাংলা নিউজের পরিবারের পক্ষ থেকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

সবাইকে ইংরেজি নতুন বর্ষের শুভেচ্ছা।


বিশ্বশান্তি’র অগ্রদূত, জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ‘শুভ জন্মদিনে’ প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন , মো:নাসির, ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ ,বাপসনিউজ :আজ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের আজকের এই দিনে মধুমতি নদীর তীরে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাংলাদেশের মানুষ যখন আমাদের এই প্রিয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করবে তখন তিনি তাঁর প্রিয় বাংলাদেশে থাকবেন না। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের জন্য নিউইয়র্ক অবস্থান করছেন। বিগত পাঁচ বছর ধরে জন্মদিনের এই সময়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে আমেরিকার নিউইয়র্কে থাকেন। জন্মদিনের এই মধুময় ক্ষণ তাঁকে বিদেশের মাটিতেই অনুভব করতে হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তারপরও দেশ-বিদেশে নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত করা হবে তাঁর দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনায়।

alt

জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবন বিচিত্র এবং সংগ্রামমুখর। জন্মের পর থেকে দেখে আসছেন পিতা শেখ মুজিবুর রহমান যাপিত জীবন। প্রতিনিয়ত জেল-জুলুমের মধ্যদিয়ে পিতার আপত্য স্নেহবঞ্চিত শেখ হাসিনা ভেঙে পড়েননি। বরং পিতার সংগ্রামশীল জীবন, বাংলার মানুষের প্রতি গভীর প্রেম তাঁকে প্রলুব্ধ করেছে বেশি। শিশু থেকে যৌবনের প্রান্তসীমা পর্যন্ত বাবা নয় বরং মা বঙ্গমাতা ফজিলাতুননেসা মুজিবের যে ভূমিকা তাকেই গ্রহণ করেছেন। যা ছিল একজন দেশপ্রেমিক জননেতার জীবন ঘনিষ্ঠ চাওয়া না পাওয়ার চালচিত্র। কন্যা হিসেবে পিতার আদর্শ দেশপ্রেমকে বড় করে দেখেছেন। তাই হয়তো বঙ্গবন্ধুর মতো তিনি বলতে পারেন, ‘আমার হারাবার কিছু নেই, বাংলাদেশের মানুষের জন্য পুরো পরিবারকেই উৎসর্গ করেছি।’

পিতামহ শেখ লুৎফর রহমান এবং দাদি শাহেরা খাতুনের প্রিয় নাতনি হাসিনা ওরফে হাসু। শৈশব-কৈশোর কেটেছে দাদা-দাদির নিবিড় সান্নিধ্যে- টুঙ্গিপাড়ায়। গ্রামের ধূলিকণা আর খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গেই তাঁর বেড়ে ওঠা। শিক্ষাজীবন শুরু হয় স্থানীয় পাঠশালায়। পিতা শেখ মুজিব তখন সারা বাংলা চষে বেড়াচ্ছেন বাঙালির ভোট এবং ভাতের অধিকার নিয়ে।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পুরান ঢাকার মোগলটুলীর রজনী বোস লেনে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হলে ১৯৬১ সালের ৩ নভেম্বর মিন্টো রোডে সরকারি বাসভবনে চলে আসেন। শেখ হাসিনা ভর্তি হন টিকাটুলীর নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে। এই তাঁর শহর জীবনের গল্প। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে চলে আসেন। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার আমৃত্যু ওই বাড়িতে বসবাস করেছেন।

১৯৬৫ সালে শেখ হাসিনা আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। ১৯৬৭ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ঢাকার বকশিবাজার পূর্বতন ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ) থেকে। ওই বছরেই ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কলেজে পড়াকালীন তিনি কলেজ ছাত্রী সংসদের সহসভানেত্রী নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম বিধায় কিশোরী বয়স থেকেই তাঁর রাজনীতিতে পদচারণা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুববিরোধী এবং ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু উত্থাপিত ৬ দফা দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে তার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু পরিবারে নেমে আসে নানাবিধ নির্যাতন। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। আটক অবস্থায় পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা শুরু করে। ১৯৬৮ সালের এই বিপদসঙ্কুল দিনে কারাবন্দি পিতা বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। বিয়ের পর শুরু হয় ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু পরিবার ঘাতক কর্তৃক নির্মমভাবে নিহত হওয়ার সময় শেখ হাসিনা বিদেশে ছিলেন বলে জানে বেঁচে যান।

১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে দলের সভানেত্রী নির্বাচিত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে সামরিক জান্তা ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে চলে তাঁর সংগ্রাম।
১৯৯৬ সালের ১২ জুনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট পরিকল্পিত গ্রেনেড হামলা চালানো হয় তাঁর উপর। অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেও মারাত্মক আহত হন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বশান্তির অগ্রদূত, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কান্ডারী, দারিদ্রবিমোচনের প্রতীক, নারীর ক্ষমতায়ণের প্রতীক, দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

‘শুভ জন্মদিনে’র শুভেচ্ছা বার্তায়-সংগঠনের নেতারা আরও বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই তিনি ইতোপূর্বেও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত ও নন্দীত হয়েছেন এবং এখনও হচ্ছেন। গত বছরের সেপ্টেম্বর, মাসেই তিনি, নারীর ক্ষমতায়নে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ‘প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ এবং এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়ে বিশ্বজুড়ে নন্দীত হয়েছেন। গত জুন মাসেও বিশ্বের ক্ষমতাধর সেরা নারীদের তালিকায় ৩৬তম স্থান পেয়ে প্রশংসিত হয়েছেন। এরপর, এই চলতি বছরেই জননেত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম বিশ্বনেতার স্বীকৃতি লাভ করেছেন। এছাড়াও-দেশরত্ন-জননেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে-তাঁর বহুমুখী অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ রয়েছে, আন্তর্জাতিক মর্যাদা সম্পন্ন অসংখ্য পুরুস্কার।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গলব্লাডারে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ায়-আল্লাহ পাকের দরবারে শূকরিয়া আদায় করে, ৭০তম ‘শুভ জন্মদিনে’ তাঁর  সুস্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন, হাকিকুল ইসলাম খোকন ,ওসমান গনি, সুহাস বডুয়া, হেলাল মাহমুদ,আয়েশা আকতার রুবী।

আমাদের বক্তব্য, আজ শেখ হাসিনার ৭০তম জন্মদিন। এই দিনে তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। কামনা করি তিনি দীর্ঘায়ু হন। আরো উন্নয়নশীল কাজে নিজকে নিয়োজিত করুন। যাতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়। ধন্য প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।


বষ্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

শনিবার, ২৪ জুন ২০১৭

বাপ্ নিউজ: বস্টন বাংলা নিউজ: ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বষ্টন বাংলা নিউজ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা।

বোস্টন বাংলা নিঊজ ডটকম এক বিবৃতিতে পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ঈদের আনন্দে যাতে গরীব-দুঃখী সকলেই অংশীদার হতে পারে তার জন্য সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।

পবিত্র পবিত্র ঈদুল ফিতর  উপলক্ষে ৪ দিন বষ্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে ( ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন ২০১৭ ) বষ্টন বাংলা  নিউজ প্রকাশিত হবে না।


বষ্টন বাংলা নিউজের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বস্টন বাংলা নিউজ:ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে খুশির জোয়ার। ঈদ মানে সহমর্মিমতা ও সহযোগিতার অপূর্ব বন্ধন. এই আনন্দ ও উৎসব সবার জীবনে খুশীর বন্যা নিয়ে আসুক, ভুলিয়ে দিক সব বিভেদ- সেই প্রত্যাশায় বষ্টন বাংলা নিউজ -এর সন্মানিত পাঠক, লেখক এবং শুভাকাংক্ষীদের প্রতি রইল ঈদের শুভেচ্ছা

ঈদ বয়ে আনুক আপনাদের সকলের জীবনে হাসি আনন্দ আর সমৃদ্ধি। বষ্টন বাংলা নিউজ -এর পরিবারের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।


পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ৪ দিন বষ্টন বাংলা নিউজ বন্ধ থাকবে (২ , ৩, ৪ ও ৫  সেপ্টেম্বর ২০১৭ ) বষ্টন বাংলা নিউজ প্রকাশিত হবে না।


ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য

সোমবার, ০৫ জুন ২০১৭

কোনো প্রাণীর-মূর্তি নির্মাণ করা ইসলামী শরীয়তে কঠিন কবীরা গুনাহ ও হারাম । মূর্তি সংগ্রহ, মূর্তি সংরক্ষণ এবং মূর্তির বেচাকেনা ইত্যাদি সকল বিষয় কঠিনভাবে নিষিদ্ধ। মূর্তিপূজার কথা তো বলাই বাহুল্য, মূর্তি নির্মাণেরও কিছু কিছু পর্যায় এমন রয়েছে যা কুফরী।

কেউ কেউ মূর্তি ও ভাস্কর্যের মধ্যে বিধানগত পার্থক্য দেখাতে চান। এটা চরম ভুল। ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোই  পরিত্যাজ্য। কুরআন মজীদ ও হাদীস শরীফে এ প্রসঙ্গে যে শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলো মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোকেই নির্দেশ করে। এ প্রসঙ্গে কুরআন মজীদের স্পষ্ট নির্দেশ-

فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْثَانِ وَ اجْتَنِبُوْا قَوْلَ الزُّوْرِۙ۝۳۰

‘তোমরা পরিহার কর অপবিত্র বস্ত্ত অর্থাৎ মূর্তিসমূহ এবং পরিহার কর মিথ্যাকথন।’ -সূরা হজ্জ : ৩০

এই আয়াতে পরিস্কারভাবে সবধরনের মূর্তি পরিত্যাগ করার এবং মূর্তিকেন্দ্রিক সকল কর্মকান্ড  বর্জন করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

আরো লক্ষণীয় বিষয় এই যে. উপরের আয়াতে সকল ধরনের মূর্তিকে ‘রিজস’ শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে। ‘রিজ্স’ অর্থ নোংরা ও অপবিত্র বস্ত্ত। বোঝা যাচ্ছে যে, মূর্তির সংশ্রব পরিহার করা পরিচ্ছন্ন ও পরিশীলিত রুচিবোধের পরিচায়ক।

দ্বিতীয় আয়াত

অন্য আয়াতে কাফের সম্প্রদায়ের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে এভাবে-

وَ قَالُوْا لَا تَذَرُنَّ اٰلِهَتَكُمْ وَ لَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَّ لَا سُوَاعًا ۙ۬ وَّ لَا یَغُوْثَ وَ یَعُوْقَ وَ نَسْرًاۚ۝۲۳

‘এবং তারা বলেছিল, তোমরা কখনো পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদেরকে এবং কখনো পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ, সুওয়া, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে।’ -সূরা নূহ : ২৩

এখানে কাফের সম্প্রদায়ের দুটো বৈশিষ্ট্য উল্লেখিত হয়েছে : ১. মিথ্যা উপাস্যদের পরিত্যাগ না করা। ২. মূর্তি ও ভাস্কর্য পরিহার না করা। তাহলে মিথ্যা উপাস্যের উপাসনার মতো ভাস্কর্যপ্রীতিও কুরআন মজীদে কাফেরদের বৈশিষ্ট্য হিসেবে চিহ্নিত। অতএব এটা যে ইসলামে গর্হিত ও পরিত্যাজ্য তা তো বলাই বাহুল্য।

Picture

উপরের আয়াতে উল্লেখিত মূর্তিগুলো সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, এগুলো হচ্ছে নূহ আ.-এর সম্প্রদায়ের কিছু পুণ্যবান লোকের নাম। তারা যখন মৃত্যুবরণ করেছে তখন শয়তান তাদের সম্প্রদায়কে এই কুমন্ত্রনা দিয়েছে যে, তাদের স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলোতে মূর্তি স্থাপন করা হোক এবং তাদের নামে সেগুলোকে নামকরণ করা হোক। লোকেরা এমনই করল। ওই প্রজন্ম যদিও এই সব মূর্তির পূজা করেনি কিন্তু ধীরে ধীরে প্রকৃত বিষয় অস্পষ্ট হয়ে গেল এবং পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূজায় লিপ্ত হল। -সহীহ বুখারী হাদীস : ৪৯২০

তৃতীয় আয়াত

কুরআন মজীদে মূর্তি ও ভাস্কর্যকে পথভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে চিহ্ণিত করা হয়েছে। এক আয়াতে এসেছে-

رَبِّ اِنَّهُنَّ اَضْلَلْنَ كَثِیْرًا مِّنَ النَّاسِ ۚ

‘ইয়া রব, এরা (মূর্তি ও ভাস্কর্য) অসংখ্য মানুষকে পথভ্রষ্ট করেছে!’ -সূরা ইবরাহীম : ৩৬

অন্য আয়াতে এসেছে-

وَ قَالُوْا لَا تَذَرُنَّ اٰلِهَتَكُمْ وَ لَا تَذَرُنَّ وَدًّا وَّ لَا سُوَاعًا ۙ۬ وَّ لَا یَغُوْثَ وَ یَعُوْقَ وَ نَسْرًاۚ۝۲۳ وَ قَدْ اَضَلُّوْا كَثِیْرًا ۚ۬

‘আর তারা বলেছিল, তোমরা পরিত্যাগ করো না তোমাদের উপাস্যদের এবং পরিত্যাগ করো না ওয়াদ্দ সুওয়াকে, ইয়াগূছ, ইয়াঊক ও নাসরকে। অথচ এগুলো অনেককে পথভ্রষ্ট করেছে।’ -সূরা নূহ : ২৩-২৪

কুরআন মজীদে একটি বস্ত্তকে ভ্রষ্টতার কারণ হিসেবে  চিহ্ণিত করা হবে এরপর ইসলামী শরীয়তে তা বৈধ ও গ্রহণযোগ্য থাকবে-এর চেয়ে হাস্যকর কথা আর কী হতে পারে।

চতুর্থ আয়াত

কুরআনের ভাষায় মূর্তি ও ভাস্কর্য হল বহুবিধ মিথ্যার উৎস। ইরশাদ হয়েছে-

اِنَّمَا تَعْبُدُوْنَ مِنْ دُوْنِ اللّٰهِ اَوْثَانًا وَّ تَخْلُقُوْنَ اِفْكًا ؕ

তোমরা তো আল্লাহর পরিবর্তে উপাসনা কর (অসার) মূর্তির এবং তোমরা নির্মাণ কর ‘মিথ্যা’। -সূরা আনকাবুত : ১৭

মূর্তি ও ভাস্কর্য যেহেতু অসংখ্য মিথ্যার উদ্ভব ও বিকাশের উৎস তাই উপরের আয়াতে একে ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই আয়াতগুলো থেকে পরিষ্কার জানা যাচ্ছে যে, মূর্তি ও ভাস্কর্য দুটোই সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য।

হাদীস শরীফেও নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মূর্তি ও ভাস্কর্য সম্পর্কে পরিষ্কার বিধান দান করেছেন।

১. হযরত আমর ইবনে আবাসা রা. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন ‘আল্লাহ তাআলা আমাকে প্রেরণ করেছেন আত্মীয়তার সর্ম্পক বজায় রাখার, মূর্তিসমূহ ভেঙ্গে ফেলার, এবং এক আল্লাহর ইবাদত করার ও তাঁর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুকে শরীক না করার বিধান দিয়ে। -সহীহ মুসলিম হা. ৮৩২

২. আবুল হাইয়াজ আসাদী বলেন, আলী ইবনে আবী তালেব রা. আমাকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে ওই কাজের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করব না, যে কাজের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রেরণ করেছিলেন? তা এই যে, তুমি সকল প্রাণীর মূর্তি বিলুপ্ত করবে এবং সকল সমাধি-সৌধ ভূমিসাৎ করে দিবে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে,… এবং সকল চিত্র মুছে ফেলবে।’ -সহীহ মুসলিম হা. ৯৬৯

৩. আলী ইবনে আবী তালেব রা. বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। তখন তিনি বললেন, ‘তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে মদীনায় যাবে এবং যেখানেই কোনো প্রাণীর মূর্তি পাবে তা ভেঙ্গে ফেলবে, যেখানেই কোনো সমাধি-সৌধ পাবে তা ভূমিসাৎ করে দিবে এবং যেখানেই কোনো চিত্র পাবে তা মুছে দিবে?’ আলী রা. এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্ত্তত হলেন। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে কেউ পুনরায় উপরোক্ত কোনো কিছু তৈরী করতে প্রবৃত্ত হবে সে মুহাম্মাদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতি নাযিলকৃত দ্বীনকে অস্বীকারকারী।’ -মুসনাদে আহমাদ হা. ৬৫৭

এই হাদীসগুলো থেকে স্পষ্ট জানা যাচ্ছে যে, যে কোনো প্রাণী মূর্তিই ইসলামে পরিত্যাজ্য এবং তা বিলুপ্ত করাই হল ইসলামের বিধান। আর এগুলো নির্মাণ করা ইসলামকে অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য।

৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-

إِنَّ مِنْ أَشَدِّ النَّاسِ عَذَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُوْنَ.

প্রতিকৃতি তৈরিকারী (ভাস্কর, চিত্রকর) শ্রেণী হল ওইসব লোকদের অন্তর্ভুক্ত যাদেরকে কিয়ামত-দিবসে সবচেয়ে কঠিন শাস্তি প্রদান করা হবে।’ -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৫০

৫. আবু হুরায়রা রা. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন-

إِنَّ أَصْحَابَ هَذِهِ الصُّوَرِ يُعَذَّبُوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَيُقَالُ لَهُمْ : أَحْيُوْا مَا خَلَقْتُمْ.

ওই লোকের চেয়ে বড় জালেম আর কে যে আমার সৃষ্টির মতো সৃষ্টি করার ইচ্ছা করে। তাদের যদি সামর্থ্য থাকে তবে তারা সৃজন করুক একটি কণা এবং একটি শষ্য কিংবা একটি যব! -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৫৩

এই হাদীসটি বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক, যখন ভাস্কর-চিত্রকর, এমনকি গল্পকার ও ঔপন্যাসিকদেরকে পর্যন্ত ‘স্রষ্টা’ বলতে এবং তাদের কর্মকান্ডকে ‘সৃষ্টি’ বলতে সামান্যতমও দ্বিধাবোধ করা হয় না। কোনো কোনো আলোচকের আলোচনা থেকে এতটা ঔদ্ধত্যও প্রকাশিত হয় যে, যেন তারা সত্যি সত্যিই স্রষ্টার আসনে আসীন হয়ে গিয়েছেন!

সহীহ বুখারীর বিখ্যাত ভাষ্যকার হাফেয ইবনে হাজার আসকানী রাহ. লেখেন- এই ভাস্কর ও চিত্রকর সর্বাবস্থাতেই হারাম কাজের মধ্যে লিপ্ত। আর যে এমন কিছু নির্মাণ করে যার পূজা করা হয় তার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ। আর যে স্রষ্টার সামঞ্জস্য গ্রহণের মানসিকতা পোষণ করে সে কাফের ।’ -ফতহুল বারী ১০/৩৯৭

৬. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. ও আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-

وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ ذَهَبَ يَخْلُقُ خَلْقًا كَخَلْقِيْ؟ فَلْيَخْلُقُوْا ذَرَّةً وَلْيَخْلُقُوْا حَبَّةً أَوْ لِيَخْلُقُوْا شَعِيْرَةً.

এই প্রতিকৃতি নির্মাতাদের (ভাস্কর, চিত্রকরদের) কিয়ামত-দিবসে আযাবে নিক্ষেপ করা হবে এবং তাদেরকে সম্বোধন করে বলা হবে, যা তোমরা ‘সৃষ্টি’ করেছিলে তাতে প্রাণসঞ্চার কর!’

-সহীহ বুখারী হা. ৭৫৫৭, ৭৫৫৮;

৭. আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে কেউ দুনিয়াতে কোনো প্রতিকৃতি তৈরি করে কিয়ামত-দিবসে তাকে আদেশ করা হবে সে যেন তাতে প্রাণসঞ্চার করে অথচ সে তা করতে সক্ষম হবে না।’ -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৬৩

৮. আউন ইবনে আবু জুহাইফা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদ ভক্ষণকারী ও সুদ প্রদানকারী, উল্কি অঙ্কণকারী ও উল্কি গ্রহণকারী এবং প্রতিকৃতি প্রস্ত্ততকারীদের (ভাস্কর, চিত্রকরদের) উপর লানত করেছেন। -সহীহ বুখারী হা. ৫৯৬২

এই হাদীসগুলো থেকে প্রমাণিত হয় যে,ভাস্কর্য নির্মাণ অত্যন্ত কঠিন কবীরা গুনাহ। আর কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কুফরীরও পর্যায়ে পৌঁছে যায়।

মূর্তি ও ভাস্কর্যের বেচাকেনাও হাদীস শরীফে সম্পূর্ণ হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে।

৯. হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের সময় মক্কায় থাকা অবস্থায় এই ঘোষণা দিয়েছেন যে, আল্লাহ ও তার রাসূল মদ ও মূর্তি এবং শুকর ও মৃত প্রাণী বিক্রি করা হারাম করেছেন।’ -সহীহ বুখারী হা. ২২৩৬

১০. উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসুস্থতার সময় তাঁর জনৈকা স্ত্রী একটি গির্জার কথা উল্লেখ করলেন। গির্জাটির নাম ছিল মারিয়া। উম্মে সালামা ও উম্মে হাবীবা ইতোপূর্বে হাবাশায় গিয়েছিলেন। তারা গির্জাটির কারুকাজ ও তাতে বিদ্যমান প্রতিকৃতিসমূহের কথা আলোচনা করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শয্যা থেকে মাথা তুলে বললেন, ওই জাতির কোনো পুণ্যবান লোক যখন মারা যেত তখন তারা তার কবরের উপর ইবাদতখানা নির্মাণ করত এবং তাতে প্রতিকৃতি স্থাপন করত। এরা হচ্ছে আল্লাহর নিকৃষ্টতম সৃষ্টি।’-সহীহ বুখারী  হা. ১৩৪১ সহীহ মুসলিম হা. ৫২৮ নাসায়ী হা. ৭০৪

১১. আব্দুল্লাহ ইবনে আববাস রা. বলেন, ‘(ফতহে মক্কার সময়) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বায়তুল্লাহয় বিভিন্ন প্রতিকৃতি দেখলেন তখন তা মুছে ফেলার আদেশ দিলেন। প্রতিকৃতিগুলো মুছে ফেলার আগ পর্যন্ত তিনি তাতে প্রবেশ করেননি।’ -সহীহ বুখারী হা. ৩৩৫২

দৃষ্টান্তস্বরূপ এগারোটি হাদীস পেশ করা হল। আলোচিত প্রসঙ্গে ইসলামী বিধান বোঝার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। কুরআন মজীদে যে কোনো ধরনের মূর্তির সংশ্রব ও সংশ্লিষ্টতা পরিহারের যে আদেশ মুমিনদেরকে করা হয়েছে সে সম্পর্কে একটা বিস্তারিত ধারণাও উপরোক্ত হাদীসগুলো থেকে জানা গেল।

কুরআন ও সুন্নাহর এই সুস্পষ্ট বিধানের কারণে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ইত্যাদি সকল বিষয়ের অবৈধতার উপর গোটা মুসলিম উম্মাহর ইজমা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।