Slideshows

http://www.bostonbanglanews.com/index.php/components/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

আজকের খবর

উত্তর আমেরিকা বাংলাদেশী বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের অন্তর্বর্তী কালীন কমিটি গঠিত" = সমীরণ বড়ুয়া সভাপতি এবং সুহাস বড়ুয়া সাঃ সম্পাদক নির্বাচিত

বৃহস্পতিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : গত ২৬শে আগষ্ট বোষ্টনে অনুষ্ঠিত হয় উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সবচেয়ে বড় সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় কৃষ্টি উৎসব নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশী বৌদ্ধ সম্মেলন ২০১৭।

Picture

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোস্টনের জাপান কনস্যুল জেনারেল রকুইচিরো মিশি, নিউ ইয়র্ক বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্স্যুলার ও সেনচেরী প্রধান চৌধুরী সুলতানা পারভীন, মেডফোর্ড সিটি মেয়র স্টেফানী মুছিনি বার্ক, ম্যাচাসুসেটস স্টেট হাউজিং, বিজিন্যাস এন্ড টুরিজম সেক্রেটারী মিস্টার নাম ফাম, বোস্টন সিটি মেয়রের বিশেষ প্রতিনিধি এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক ক্যাথরিন কোপল্যান্ড। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে বোষ্টন বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি তরুণ বড়ুয়া এবং নর্থ আমেরিকা বাংলাদেশী বুড্ডিষ্ট ফেডারেশনের আহবায়ক সমীরণ বড়ুয়া।
alt
সভায় বক্তব্য রাখেন উত্তর আমেরিকা বাংলাদেশী বৌদ্ধ সম্মেনলের আহবায়ক সুহাস বড়ুয়া, ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আগত মূলবক্তা  ডক্টর করুণানন্দ মহাথেরো, মিশিগান থেকে আগত বিশেষ বক্তা ধর্মানন্দ মহাথেরো, বিশ্ব বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থ স্থান ভারতের বুদ্ধগয়া থেকে আগত অতিথি আর্যপাল ভিক্ষু, নেপালের ডক্টর প্রজ্ঞালোকা মহাস্থবির, তিব্বতের বৌদ্ধ ভিক্ষু গেসি নোয়াঙ টেনলি, শ্রীলঙ্কার ভিক্ষু সমিতা ভান্তে , বৌদ্ধ ভিক্ষু হাভার্ড স্কলার প্রিয় রক্ষিত কানাডার সোনা কান্তি বড়ুয়া, সম্মেলনের যুগ্ন আহবায়ক শিমুল বড়ুয়া, নিউ ইয়র্কের দিলীপ বড়ুয়া, রণবীর বড়ুয়া, বোষ্টনের রাতুল বড়ুয়া এবং সুবোধ বড়ুয়া। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বোস্টন বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিষ বড়ুয়া, বিভিন্ন পর্ব পরিচালনা করেন স্বাগতিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্ৰজয় বড়ুয়া, প্রাক্তন সভাপতি সৌমেন্দু বড়ুয়া, শুভাশীষ বড়ুয়া, দীনা বড়ুয়া এবং সম্মেলনের যুগ্ন আহবায়ক শিমুল বড়ুয়া।
alt
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিল সকাল ১১টায়  আগত বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মহাসঙ্গদান, বেলা ২টায় বিশেষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, বিকাল ৫টায় কাউন্সিল অধিবেশন  রবং সন্ধ্যা ৭টায় থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত শিল্পিদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

alt

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত শিল্পী অনুপ বড়ুয়া,কানাডার যুথিকা বড়ুয়া এবং ইন্দ্রা বড়ুয়ার সংগীত পরিবেশনা এবং বোষ্টনের লিমা বড়ুয়ার পরিচালনায় নৃত্যানুষ্ঠান উল্লেখ্যযোগ্য।
alt
 সম্মেলনে নিউইয়র্ক থেকে সমীরণ বড়ুয়াকে সভাপতি এবং বোষ্টন থেকে সুহাস বড়ুয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি অন্তর্বর্তী কালীন কমিটি ঘোষণা করা হয়। ফেডারেশনের জন্য সংবিধান প্রণয়ন এবং উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশী বৌদ্ধদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের মাধ্যমে ফেডারেশনের কার্য্ক্রম শুরু করাই হচ্ছে এই অন্তর্বতী কালীন কমিটির প্রাথমিক কাজ।

alt
৩১ সদস্য বিশিষ্ট অন্তর্বতী কালীন কমিটি বিভিন্ন পদে আছেন,কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট্স এবং প্রভিন্সের পক্ষ থেকে, সহ-সভাপতি রূপক বড়ুয়া, সৌম্যেন্দু বড়ুয়া, যুগ্ন সম্পাদক শিমুল বড়ুয়া,প্রবীর মিত্র বড়ুয়া, অর্থ সম্পাদক প্ৰজয় বড়ুয়া, শিপুল বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈকত বড়ুয়া, রণবীর বড়ুয়া, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক,  দেবাশীষ বড়ুয়া, কিরণ বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা জুথিকা বড়ুয়া, করবী বড়ুয়া, প্রকাশনা ও গণমাধ্যম, শুভাশীষ বড়ুয়া, প্রবাল বড়ুয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক,অজয় তালুকদার, অসীম বড়ুয়া, আন্তর্জাতিক বিষয়ক, কানন বড়ুয়া, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক, ডক্টর সুরজিত বড়ুয়া, আইন বিষয়ক,মিল্টন বড়ুয়া, কৃষ্টি ও গবেষণা বিষয়ক,ইউ থোয়াই মং, আদিত্য বড়ুয়া, মহিলা বিষয়ক,শিম্পু বড়ুয়া, মনি বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য ফাল্গুনী বড়ুয়া, সমর বড়ুয়া, সোহেল বড়ুয়া, সুবীর বড়ুয়া এবং টিটু বড়ুয়া।


"জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস পালন "

সোমবার, ২১ আগস্ট ২০১৭

Picture

সুহাস বড়ুয়া (বাপ্‌সনিউজ) বোষ্টন : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎবার্ষকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বোষ্টনে নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ গত ১৩ই আগস্ট ক্যামব্রিজের পিসানি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।

alt

নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ নিহত সকলের এবং ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

alt

বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রিয়ভাজন, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক তালুকদার সকলের শান্তি কামনা করে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন।

alt

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, যাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না, সেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে ১৫ আগস্ট রাতে হত্যা করা হয়।

alt

অনেকে বলেন কিছু বিপদ গামী সৈনিক বঙ্গবন্ধুসহ তাঁর পরিবারের প্রায় সকলকে হত্যা করেছে।

alt

এই কথাটি সত্যি নয় দেশি ও বিদেশি গভীর চক্রান্ত এ হত্যার সঙ্গে জড়িত।

alt

বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর চেতনাকে হত্যা করতে পারেনি ঘাতকরা। তিনি এখনো প্রতিটি ঘরে বেঁচে আছেন।

alt

বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম।

alt

শেখ হাসিনার প্রতি দেশ বাসীর যথেষ্ট আস্থা এবং বিশ্বাস রয়েছে।

alt

বক্তারা আরো বলেন, ৭৫ এর ১৫ই আগষ্টে জিয়াউর রহমান এবং ২১শে আগষ্টে তাঁর ছেলে তারেক জিয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করেন যা খুনিরাই বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যক্ত করেছে ।

alt

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হতে আর বেশি দেরি নাই।

alt

বিএনপি যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন, আওয়ামী লীগের উন্নয়নকে দাবিয়ে রাখতে পারবে না। কারণ প্রত্যেকটি মানুষের ভেতর বঙ্গবন্ধুর ও স্বাধীনতার চেতনা রয়েছে। এই চেতনায় দেশ এগিয়ে চলেছে। দেশের উন্নয়ন সমাদৃত হচ্ছে।

alt

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডঃ বামন দাস বসু বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি  এবং নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি মতিউর রহমান, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া , মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা, ফিরোজ খান আনন্দ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ নিউইংল্যান্ডের সাবেক সভাপতি শহীদুল ইসলাম প্রিন্স, আওয়ামী লীগের বিশিষ্ট নেত্রী সফিদা বসু,  আওয়ামী লীগ নেতা ডক্টর আশীষ দেব, বিশিষ্ট কবি বদিউজ্জামান নাসিম, বেইন সভানেত্রী তামান্না করিম, হাসানুজ্জামান সোহেল, মিশা রহমান, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওসমান গণি, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সহ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রনি, নিউইংল্যান্ড যুবলীগের লীগের সভাপতি সিরাজুম মুনিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিউইংল্যান্ড যুব লীগ নেতা রবিন দাশ, নিউইংল্যান্ড যুব লীগের সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ,যুগ্ন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম এবং যুবলীগ নেতা মোঃ ফোরকান।

alt

বক্তারা নিউইংলেন্ড আওয়ামী লীগের সুদৃঢ় ঐক্যের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

alt


বোষ্টনে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের বিজয় দিবসের ৪৫তম বার্ষিকী উদযাপন

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৬

সুহাস বড়ুয়া (বাপসনিউজ) বোস্টন : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ১৮ই ডিসেম্বর নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ বোষ্টনে কেমব্রিজ শহরের ১৩১ ওয়াশিংটনের পিসানী মিলনায়তনে আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ এবং নৈশ ভোজের আয়োজন করে।

Picture

নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া।

alt

অনুষ্ঠানে অতিথি বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট -এর সহকারী অধ্যাপক ডক্টর গর্গ চট্টোপাধ্যায়, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ডক্টর বিনয় পাল, মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ খান আনন্দ। বক্তাগন বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে বড় অর্জনের দিন।

alt

১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ, নিপীড়ন আর দুঃশাসনের চির অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ৯ মাস রক্ত ক্ষয়ী যুদ্ধ করে বাঙ্গালী জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৬ ডিসেম্বর অবসান হয়েছিল পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর সাড়ে তেইশ বছরের নির্বিচার শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতনের।

alt
বক্তাগন বলেন, বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন আওয়ামী লীগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ন কেননা বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে মধ্যে যায় থেকে উন্নত দেশে পরিবর্তনের যে ধারাবাহিকতা তা আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্য কারো পক্ষে সম্ভব হবে না এবং দেশ আবারো বিশৃঙ্খল রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

alt
বক্তাগন আরো বলেন, সুবিধাবাদীরা সব সময় ক্ষমতাসীন সরকারের দলে যোগদিয়ে নিজেদের স্বার্থ আদায়ে সর্বদা ব্যস্ত থাকে। বর্তমান সরকারের সাথে কিছু স্বাধীনতা বিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি সুকৌশলে আওয়ামী লীগে এসে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নিপীড়ন চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে।

alt
তাঁরা বলেন দেশে এবং দেশের বাইরে এ সকল অপশক্তিকে নির্মূল করা না হলে দেশের কল্যাণে অন্তরায় হবে।

alt

বক্তাগন নাসির নগর ও সাঁওতালদের নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।

alt
নিউ ইংল্যান্ড সেচ্ছাসেবক লীগ এবং আওয়ামী যুবলীগের সাথে যৌথ উদ্যেগে অনুষ্টিত বিজয় দিবসের সভায় বক্তারা আরো বলেন,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত লোকদের আওয়ামী লীগে থাকার কোন অধিকার থাকতে পারেনা। আওয়ামী লীগের নামে দেশে এবং প্রবাসে যারা ধান্ধাবাজি এবং নাম প্রচারে ব্যস্ত তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

alt
৭৫ সালে স্বাধীনতার স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকরে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধীদের ক্ষমতায় বসায় এবং একটি প্রজন্মকে বাংলাদেশের বিকৃত ইতিহাস শেখায়। দেশকে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গির দেশ বানাতে সচেষ্ঠ হয়।

alt
অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন প্রবাসের বিশিষ্ট কবি বদিউজ্জামান নাসিম এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট আবৃতিকার মেহেদী ইমাম । বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকীতে উক্ত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিউ ইংল্যান্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফরিদা আরবী,

alt
নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি সিরাজুম মুনির, মহিউদ্দিন চৌধুরী , শহিদুল ইসলাম রনি, রবিন দাশ বেইন এর সাধারণ সম্পাদক নোমান চৌধুরী ,নিউ ইংল্যান্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লুৎফুর রহমান মিশর প্রমুখ।

alt

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি বড় কেক কাটা হয় এবং নৈশ ভোজ অনুষ্ঠিত হয়।


“বাংগালীর সন্তানরা বাংলায় কথা না বলাটা বড়ই লজ্জার বিষয়” -নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ

মঙ্গলবার, ০৭ মার্চ ২০১৭

সুহাস বড়ুয়া (বাপস নিউজ) বোষ্টনঃ মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে নিউ ইংল্যান্ড আওয়ামী লীগ ২৬শে ফেব্রুয়ারী, কেমব্রিজের ৩৬৪ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে ।

Picture

নিউইংল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ওসমান গনির সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সুহাস বড়ুয়া উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাঙালীর রক্ত স্নাত ভাষা আন্দোলন আজ বিশ্বের সকল দেশের সকল জাতীর মাতৃভাষাকে মর্যাদাসহ রক্ষা করার অধিকার নিশ্চিত করেছে।

alt
তবে বাংলাদেশের মানুষ যখন বাংলা ভাষার সাথে বিদেশী ভাষা বা শব্দ ব্যবহার করে কিংবা বাংগালীরা নিজেরা যখন বাংলা না বলে বিদেশী ভাষায় কথা বলে তখন বিষয়টি বড়ই বেমানান বা এক ধরনের অজ্ঞাতই মনে হয়। বাংগালীর সন্তানরা বাংলায় কথা না বলাটা বড়ই লজ্জার বিষয়। প্রবাস প্রজন্মকে বিদেশী ভাষার সাথে বাংলা ভাষা শেখানোটা গৌরবের।

alt
সভায় বিশেষ বক্তা হিসাবে আলোচনায় অংশ নেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ডঃ বামন দাশ বসু, ডঃ বিনয় পাল, মুক্তিযোদ্ধা মোশতাক তালুকদার, ডঃ আশিষ দেব। তাঁরা বলেন, আগের দিনের শিক্ষকদের মত আজকাল শিক্ষকদের মুখ থেকে সাহিত্যের ভাষা বের হয় না, বোধ হয় বাংলা বা সাহিত্যের শিক্ষকরা সাহিত্যের ভাষা আয়ত্ব করতে চায় না, তাই ছাত্রদের শিখাতে ও পারছে না।

alt
বাংলাদেশের বেতার যন্ত্র এবং টেলিভিশনে বক্তাদের কথা বলা দেখে দুঃখ হয়, কেননা অধিকাংশ বক্তাই গুছিয়ে বাংলা বলতে পারেনা। তাঁরা বলেন, বাংগালীদের উচিত অন্তত ফাল্গুন বা ফেব্রুয়ারী মাসটাতে হলেও ভাষার উন্নতির জন্য, নিজের কথা বার্তা বা লেখা লেখিতে ভাষা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কোন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা।

alt

আমাদের সন্তানরা বিদেশী ভাষা শিখুক কিন্তু নিজেদের মাতৃ ভাষাকে বাদ দিয়ে নয়।বাংগালীর সন্তান বাংলা ভাষা না জানাটা বাংগালীর জন্যই লজ্জ্বা। তাই এ বিষয়ে প্রবাসী মাতা-পিতা সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য বক্তারা আহবান জানান।

alt
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা শহীদসহ বাংলাদেশের দেশ প্রেমিক এবং প্রয়াত বরণ্য নেতৃবৃন্দের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে নীরবতা পালন করা হয়। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সহ -সভাপতি মিজানুর রহমান সাবু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আনোয়ারুল কবীর রুমি, পশ্চিম বঙ্গের অতিথি বক্তা ভানু দে, বাংলাদেশ এসোশিয়েশন অফ নিউ ইংল্যান্ড এর সভানেত্রী তামান্না করিম, সাধারণ সম্পাদক নোমান চৌধুরী, সংগীত শিল্পী আয়শা আক্তার রুমি, যুব লীগের সভাপতি সিরাজুম মুনির ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন।

alt
বক্তারা বলেন ভাষা আন্দোলন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন। পাকিস্তানের হানাদার গোষ্ঠী শোষণ বঞ্চনা আর ধর্মের নামে ধর্মান্ধ রাজনীতির মাধ্যমে বাঙালীর বাক স্বাধীনতা থেকে শুরু করে জাতীয় পরিচয় বিলুপ্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল । স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবর রহমান আমাদেরকে সেই পরাধীনতার শিকল ভাঙার জন্য ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন।

alt

বাংগালী জাতী রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছে বাংলা ভাষার অধিকার এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। অপর দিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক সহযোগিতা এবং সময় উচিত পদক্ষেপের কারনে ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১শে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে । যা বাংগালীর শোক দিবসকে গর্বের দিনে রূপান্তর করছে।


মালয়েশিয়ায় গ্লোবাল সামিটে প্রবাসীদের মিলনমেলা

সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৬

হাকিকুল ইসলাম খোকন:আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এত এত মেধাবী ও সফল মানুষ আছেন জানতামই না আগে। গত ১৯-২০ নভেম্বর কুয়ালালামপুরে হয়ে যাওয়া প্রথম বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটে উপস্থিত থেকে দেখলাম আমাদের দেশের কত সফল মানুষ প্রবাসে থাকেন। তাঁরা কেউ ১০ বছর, কেউ ২০ বছর, কেউ কেউ ৩০-৩৫ বছর ধরে দেশের বাইরে আছেন।

alt

যাঁরা ইউরোপ-আমেরিকায় থাকেন তাঁরা সবাই ওই দেশের নাগরিক। তারপরও তাঁদের মন কাঁদে মাতৃভূমি বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশ, দেশের উন্নয়ন ও ষোলো কোটি মানুষের কথা বলার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক পথ পাড়ি দিয়ে পকেটের টাকা খরচ করে তাঁরা এসেছেন কুয়ালালামপুরে।

alt

তাঁরা সবাই কী সুন্দর করে অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের কথা ও বিউটিফুল বাংলাদেশের কথা বললেন। বাংলাদেশ নিম্নমধ্য আয়ের দেশ থেকে দ্রুত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনার কথা বললেন। দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে জেনারেল থেকে সেমি স্কিল, সেমি স্কিল থেকে স্কিল বানানোর কথা বললেন। বাংলাদেশের আইটি খাত নিয়ে ও বিনিয়োগের কথা বললেন।

alt
প্রবাসীদের অধিকারের কথা তো আছেই। ঢাকা বিমানবন্দরে নানাভাবে হয়রানির শিকার হওয়ার স্মৃতি তুলে ধরলেন অনেকে। মালয়েশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের মতো শ্রমিক-নির্ভর দেশগুলোতে হাইকমিশন বা দূতাবাসের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানির কথাও উঠে এসেছে প্রবাসীর বক্তব্যে। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর চারটি সেমিনারও দেখলাম।

alt

সেমিনার নানা সব কথামালা শুনলাম ভিন্ন ভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন শহর থেকে আসা অভিজ্ঞ প্রবাসীদের মুখে। বাংলাদেশ থেকেও এসেছিলেন অনেকে।

alt

তাঁদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিলেন আবেদ খান, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, নঈম নিজাম, সাইফুল আলম, আহমেদ জোবায়ের, শ্যামল দত্ত, সাবির মোস্তফা, মাহমুদ হাফিজ ও পীর হাবিবুর রহমান প্রমুখ।মুখ গম্ভীর ভাব নিয়ে অন্যদের বক্তব্য শুনে শীতল হয়ে যাওয়া পুরো হলকে হাস্যরসে ভরিয়ে তোলেন পীর হাবিবুর রহমান।

alt

সারা বিশ্বে এখন বাংলাদেশের নাগরিক আছে, তাই গর্ব করে পীর হাবিব বলেছিলেন, এখন ব্রিটিশের সূর্য অস্ত যায়, বাংলাদেশের সূর্য অস্ত যায় না। প্রথম দিনের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান সঞ্চালক সাবির মোস্তাফার বেঁধে দেওয়া সময়ে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল কত দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখতে পারেন তা দেখলাম।

alt
বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যব্যবসায়ী হয়েও বক্তব্য, কথায়, চাল-চলন ও গানেও যে একজন মানুষ অধিক পারদর্শী হতে পারেন দেখিয়ে দিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

alt

শেষ দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন খ্যাতিমান শিল্পী ফকির আলমগীর ও নুরজাহান আলী। আর গান গেয়ে পুরো হলের দর্শকদের নাচিয়েছেন শিল্পপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

alt

এ ছাড়া মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নাচ-গান পরিবেশনা তো বরাবরের মতো ভালো লেগেছে। জাদু দেখিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন শাফির উল্লাহ শিকদার ও মনিরুজ্জামান লিটন। দুদিনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সুন্দর সুন্দর সব কথা বলে মুগ্ধ করেছেন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা যে সব বাংলাদেশিরা।

alt

তাঁদের মধ্যে যাদের নাম মনে আছে তাঁরা হলেন, আমেরিকা থেকে আগত মাসুদ চৌধুরী, হাকিকুল ইসলাম খোকন, মোহাম্মদ শাহজাহান বাবুল, ইমিগ্রেশন লইয়ার তাহমিনা ওয়াটসন, এস এম গিয়াস উদ্দিন, সাইফুল খন্দকার, মায়া নেহাল, অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী আহমেদ ফিরোজ, ড. কামাল মাহমুদ, সরওয়ার কামাল, মাহবুব সিরাজ তুহিন জেপি, নিউজিল্যান্ডপ্রবাসী কাজী এ এইচ আহসান, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, কোরিয়াপ্রবাসী আবু বকর সিদ্দিক, জাপানপ্রবাসী ড. শেখ আলীমুজ্জামান, সিঙ্গাপুরপ্রবাসী ড. এম এ রহিম, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিকদার গিয়াস উদ্দিন, মাহবুব সিরাজ, এ কে এম মহসীন।

alt

আয়েবার সভাপতি ড. জয়নাল আবেদিন, মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ, প্রধান উপদেষ্টা আহমেদ সামাদ চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ মুহিবুর রহমান মুহিব, সহসভাপতি ফখরুল আকম সেলিম, নুরুল করিম ও রানা তসলিম উদ্দিন, শামসুল আলম, শরীফ আল মোমিন, সম্মেলনের প্রধান সমন্বয়ক মাঈনুল ইসলাম নাসিম, এম এ এইচ ফেরদৌস, শফিক খান, মাহারুল ইসলাম, ডা. নাসরিন জাহান, সাইফুল খন্দকার, মালয়েশিয়ায় প্রবাসী মকবুল হোসেন, অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম, আইটি ব্যবসায়ী মাসুদ রানা প্রমুখ।

alt
বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যযার কথা না বললে হয় না তিনি হলেন মালয়েশিয়ার পর্যটনমন্ত্রী দাতো শ্রী মোহাম্মদ নাজরি বিন আবদুল আজিজ। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের সুনাম করেছেন।

alt

বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। বাংলাদেশিরা আমাদের ভাই।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার দুই বছর আগে থেকেই পূর্ব পাকিস্তানকে বাংলাদেশ নামে চিনতে শুরু করেছি আমরা। যে দেশ তখনো পূর্ব পাকিস্তান ছিল।

alt

বাংলাদেশিরা বীরের জাতি। স্বাধীনতার জন্য বাংলাদেশের মানুষ যে ত্যাগ স্বীকার করেছে তা অবিস্মরণীয়।

alt

তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ ও বাংলাদেশিদের সুনাম করে বলেন, বাংলাদেশিরা না হলে মালয়েশিয়া এত উন্নত হতো না। এখনো বাংলাদেশের মানুষ না হলে মালয়েশিয়ার উন্নয়ন কর্ম ব্যাহত হয়।

alt

আমরা আরও অধিক বাংলাদেশি চাই। তিনি আরও অধিক সংখ্যক বাংলাদেশিকে মালয়েশিয়ায় আসার ও থাকার আহ্বান জানান।অতীতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম ভ্রমণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ অপরূপ সুন্দর দেশ।

alt

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মানুষের ধর্ম ও সংস্কৃতির অনেক মিল। তাই আমরা বাংলাদেশকে ভালোবাসি। সত্তরের দশকে লন্ডনে পড়ালেখার সময় হালাল খাবার পাওয়া যেত না সহজে।

alt

বাংলাদেশিদের কাছে গেলে, বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টে গেলে হালাল খাবার পেতাম। বাবার সঙ্গে আমেরিকা গিয়েও বাংলাদেশির কাছে গেছি হালাল খাবারের জন্য।বাংলাদেশ গ্লোবাল সামিটের একটি দৃশ্যতিনি মালয়েশিয়ার মানুষদের বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য তাঁর মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে উৎসাহিত করবেন বলে জানান। তিনি আয়েবাকে ধন্যবাদ জানান কুয়ালালামপুরে এ সামিট আয়োজনের জন্য।

alt

ভবিষ্যতেও মালয়েশিয়ায় আয়েবার অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। মালয়েশিয়ার মন্ত্রীর দীর্ঘ কথামালায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের প্রশংসা শুনে মালয়েশিয়াপ্রবাসী হিসেবে আমার অনেক ভালো লেগেছে।

alt

এ জন্য ধন্যবাদ মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে। ধন্যবাদ এ মিলনমেলার আয়োজক অল ইউরোপ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনকে। প্রথম দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমাদের হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলামও সুন্দর বক্তব্য রেখেছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানেও তিনি সস্ত্রীক উপস্থিত ছিলেন।