Slideshows

http://www.bostonbanglanews.com/index.php/images/stories/2015/April/05/04/images/stories/2015/components/com_gk3_photoslide/thumbs_big/605744Finding_Immigrant____SaKiL___0.jpg

কুইন্স ফ্যামিলি কোর্টে অভিবাসী

হাকিকুল ইসলাম খোকন/বাপ্‌স নিউজ/প্রবাসী নিউজ ঃ বষ্টনবাংলা নিউজ ঃ দ্যা ইন্টারফেইস সেন্টার অব নিউইয়র্ক ও আইনী সহায়তা সংগঠন নিউইয়র্ক এর উদ্যোগে গত ২৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ See details

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

নিউয়র্কের খবর

অনৈতিকভাবে খমতায় থাকা এবং যাওয়া এই দুই যাঁতাকলে পড়ে দেশের মানুষ দিশেহারা ও প্রবাসীরা উদ্বিগ্ন -----এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল

মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন: বাপ্‌স নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার উদ্যোগে গত ১১ ফেব্রুয়ারী রবিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের টক অব দি টাঊনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান  অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কেন্দীয় কমিটির সাংগটনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল।

alt

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আমেরিকান প্রেসক্লাব  অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপ্‌সনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন, আইঅন বাংলাদশ টিভি পরিচালক রিমন ইসলাম,আওয়ামী লীগনেতা  জাহাঙ্গীর  কবির ও লক্ষীপুর জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি সেলিম ভুইয়া। খবর বাপসনিঊজ।

alt

নেতৃবৃন্দের মধ্যে  জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার সহ-সভাপতি সুভাষ মজুমদার , সহ-সাধারণ সম্পাদক রফিক উল্লাহ ,সাংগঠনিক সম্পাদক তছলিম উদ্দিন খান ।

alt
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি কেন্দীয় কমিটির সাংগটনিক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল  বলেন- দেশ গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। বারাবারি, কাটাকাটি, হানাহানি। দুই বড় দলই কেবল ক্ষমতার জন্য দেশ ও দেশের মানুষকে জিম্মিকরে রাজনীতি করছে। স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন দেশের উপযোগী রাষ্ট্র কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ, স্বাধীন দেশের অনুকূলীয় প্রশাসন গড়ে তুলতে ব্যর্থ, বৃটিশ ও পাকিস্তানী রাষ্ট্র কাঠামোয় দেশ পরিচালিত হওয়ার কারনে গত ৪৬ বছরে আমরা এ দূরাবস্থায় পৌছেছি। আমরা ৪৬ বছরে শুধু সুশাসন, সুবিচারের দাবিই জানিয়ে গেলাম, প্রতিষ্ঠা করতে পারলাম না। আমরা বাহ্যিক স্বাধীনতা পেলেও এখনও অভ্যন্তরীন পরাধীনতার মধ্যেই বসবাস করছি। স্বাধীন দেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থা আজও  অনুপস্থিত। মুক্তিযুদ্ধের সরিষার ভূত ছিল বলেই সম্ভবত স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকেই আমরা অভ্যন্তরীনভাবে পরাধীনই থেকে গেলাম।  

alt
সব দলের দিকে তাকালেই দেখা যায় কোথাও গণতন্ত্র নেই। দলে গণতন্ত্র থাকলে দেশ পরিচালনাতেও গণতন্ত্র কাজ করে। এছাড়া সংবিধান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনুকূল নয়। সরকার প্রধানকে এতটাই একচেটে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তা স্বৈরাচারে পরিনত হতে উৎসাহিত করে। গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা পরিবর্তন হওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। একটি কেন্দ্র থেকে ১৬ কোটির মতো মানুষকে সুশাসন দেয়া ও সেবা করা সম্ভব নয়। তাই ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরন করতে হবে।

alt
বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জামায়াত শিবিরকে বাংলাদেশের জন্য রাহু উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ বলেন, এই রাহু থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। তাই এই মুহুর্তে তৃতীয় শক্তির উথ্থান জরুরী। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিচার ব্যবস্থা এবং স্বাধীনভাবে ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

alt

আগামী নির্বাচনের জন্য সকল দলের মধ্যে আলোচনা, সংলাপ ও সমজোতা অত্যাবশ্যক।এডভোকেট সৈয়দ  বেলায়েত হোসেন বেলাল এর যুক্তরাষ্ট্রে আগমনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নৈশভোজে অনুষ্ঠানের সবাইকে বিপুল আয়োজনে আপ্যায়িত করা হয়। সভার শুরুতে  ৭১ এর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, ৫২’র মহান ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের স্মরনে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

alt
উল্লেখ্য জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাত ১০টায় নিউইয়র্কের জেএফকে বিমান বন্দরে রাত ১০টায় ডেলটা এয়ারযোগে এসে পৌঁছেন।এ সময় তাকে জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতৃবৃন্দ এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীরা তাকে জেএফকেতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। উএডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল উমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরব গিয়েছিলেন ডিসেম্বরে। পরে তিনি সৌদি প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসী ও জেএসডি নেতাকর্মিদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি কানাডা আসেন ১৮ জানুয়ারী। কানাডায় অবস্থানকালে তিনি জেএসডি নেতাকর্মীদের এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

alt

যুক্তরাষ্ট্রে জেএসডি ও প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসীসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে ও মতবিনীময় করেন এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ নেন। তিনি ১৮ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন। এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল লক্ষীপুর-৩ জাতীয় সংসদ আসনে আগামী নির্বাচনে জেএসডি’র প্রাথী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।


সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক দম্পতি রুবি খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান লাভ

বৃহস্পতিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাপসনিউজ',বিশেষ প্রতিনিধি: সুপরিচিত সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক দম্পতি, নিউজ পোর্টাল জার্নালিষ্ট আয়েশা আক্তার রুবি ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি, বাপসনিউজ এডিটর, বোষ্টনবাংলানিউজ ডটকম প্রধান সম্পাদক ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান এফকে আরম্যান (FK Armaan) গত ৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোর ১২:২৫ মিনিট সময় নিউইর্য়কের ম্যানহাটনস্থ ঐতিহ্যবাহী মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে জন্ম হয়। ''খবর বাপসনিউজ''

নবজাতক শিশু ও মা সুস্থ রয়েছেন। আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন এর প্রথম পুত্র সন্তান জন্ম হওয়ায় প্রবাসের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগটনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, লেখক, কবি, শিল্পী,সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গসহ সকলই অভিনন্দন জানিয়েছেন।

alt
উল্লেখ্য, আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বিয়ে হয়েছিল ২০১৪ সালের ১৬ মে, সোসাল মিডিয়া স্কাইপিতে। তাদের দুজনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বন্দুত্ব হয়েছিল ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। সামাজিক যোগাযোগের পরিচয় থেকে পরিনয়, তাদের আলোচিত বিয়ে সবাই প্রসংসা করেছিল।

আয়েশা আক্তার রুবি ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রর নিউইর্য়কে স্থায়ীভাবে অভিবাসী হয়ে স্বামীর সাথে একত্রে বসবাসের জন্য চলে আসে। আয়েশা আক্তার রুবি ও সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিভিন্ন ভাবে যারা নবজাতক এফকে আরম্যান অভিন্দন ও সহযোগিতা করেছেন।


সাহিত্য একাডেমি'র নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

রবিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নতুন বছরে প্রথম মাসে সাহিত্য একাডেমির নিয়মিত মাসিক ৮৬-তম সাহিত্য আসর। জমজমাট অনুষ্ঠানটি পরিচালনায় ছিলেন ' সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক 'এর পরিচালক মোশাররফ হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতেই সদ্য প্রয়াত কথা সাহিত্যিক শওকত আলীর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। সাহিত্য একাডেমির এবারের পুরো আসরে ঘুরেফিরে সবার কথায় গভীর ভালোবাসায় উঠে এসেছেন শওকত আলী।শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের এই পর্বে কবি তমিজ উদ্দীন লোদী বলেন, ' কথা সাহিত্যে হাতে গোণা কয়েকজনের নাম বলতে গেলে শওকত আলীর নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি প্রান্তিক মানুষের কথা বলতেন।

alt

নিপীড়িত, নিষ্পেষিত মানুষের সুখ, দু:খ, আশা, নিরাশা, বেঁচে থাকার সংগ্রামের কথা বলতেন। সাদা চোখে তিনি জীবনকে দেখেছেন বাস্তবতার কঠিন নিরিখে। শওকত আলী ছিলেন নিভৃতচারী, অন্তর্মুখী। খুব ধীরেসুস্থে কথা বলতেন। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদক প্রাপ্ত এই গুণীজন তাঁর কর্মের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন মানুষের হৃদয়ে। 'সবাইকে শওকত আলীর লেখা পড়ার আহবান জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

alt
লেখা পাঠের মাঝেমাঝে আলোচনায় যাঁরা অংশগ্রহণ করেন তাঁরা হলেন ফেরদৌস সাজেদীন, মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, হুসাইন কবির, সাদিয়া চৌধুরী পরাগ,নীরা কাদরী।, কাজী আতীক, হুসনেয়ারা বেগম প্রমুখ।এবারের আসরে নিজেদের লেখা কবিতা, ছড়া পাঠ করেন সোনিয়া কাদের, মঞ্জুর কাদের, লিয়াকত আলী,কবি বিএম সালেহ উদ্দীন, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক হাকিকুল ইসলাম খোকন , শাহ আলম দুলাল, মনিজা রহমান, শাহীন ইবনে দেলওয়ার, পলি শাহীনা, সুরিত বড়ুয়া, রিমি রুম্মান, মাকসুদা আহমেদ, মোহাম্মদ আলী বাবুল, উইলি মুক্তি, ওয়াহেদ হোসেন, কামরুন নাহার রীতা, সবিতা দাস, আবু সায়িদ রতন, আহম্মেদ হোসেন বাবু, সালেহীন সাজু, আবুল বাশার, আলম সিদ্দিকী, আল আমিন বাবু, জাকির হোসেন মিয়া, লুৎফা শাহানা, আনোয়ার সেলিম, জুঁই ইসলাম প্রমুখ।

alt
আরো উপস্থিত ছিলেন ফরিদা ইয়াসমীন, শিল্পী শহীদ উদ্দীন, রাহাত কাজী শিউলি, শামস চৌধুরী, সৈয়দ আহমেদ জুয়েদ, মোহাম্মদ নাসিরউল্লাহ, পারভীন পিয়া, দিপু, ফজলে রাব্বী প্রমুখ। কথা সাহিত্যিক ফেরদৌস সাজেদীন উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন,গল্প, কবিতায় সাহিত্য একাডেমির ঘরটি পবিত্র থেকে পবিত্রতর হয়ে উঠেছে।

এমন একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দেয়ার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ভিনদেশে রবীন্দ্রনাথকে তুলে ধরে কাস্টমারের কাছে আত্মপরিচয় দেওয়া সহ তাঁর জীবনের বাস্তব দুটি ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশীরা গর্ব সহকারে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম হবেন। 'সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন বলেন ' সম্পূর্ণ পিন পতন নীরবতায় যেন মনোমুগ্ধকর একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করছি।'

সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ' নেশা দ্রব্যের প্রতি কোন টান ছিলনা কিন্তু এখন সাহিত্য একাডেমিকে মনে হয় একটি নেশা দ্রব্য। সাহিত্য একাডেমির প্রতি প্রবল টান অনুভব করি। শওকত আলীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন তাঁর বাড়ীতে আলোচনার সময় শওকত আলী নিজের লেখা নিয়ে কোন কথা বলেন নি। তাঁর আলোচনায় উঠে এসেছে সাধারণ শ্রমজীবী মানুষদের কথা। যারা নিজেদের কথা বলতে পারেন না, দাবী আদায় করতে পারেন না। লেখকদের উচিৎ তাঁদের কথা লেখা। '

alt

কবি কাজী আতীক তাঁর লেখা পাঠ করার আগে বলেন, সাহিত্য একাডেমি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। অচিরেই পরিকল্পনাগুলোর কথা জানিয়ে দেয়া হবে।অধ্যাপিকা হুসনে আরা বেগম বলেন, ' সাহিত্য রচনা করতে না পারলেও সাহিত্য প্রেমিকদের ভালোবাসি,তাই বারবার পরিচালকের আহ্বানে সাহিত্য একাডেমিতে চলে আসি।'কবি হোসাইন কবির সংখ্যা উল্লেখ করে বলেন, ' ৩৬ জনের পড়া শুনেছি, ৪ জনের বক্তব্য শুনে মনে হলো এটি একটি বড় কর্মযজ্ঞের জায়গা।

alt
ভবিষ্যৎতে সাহিত্য একাডেমির সাথে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেন।'দার্শনিক দেওয়ান আজরাফের কন্যা সাদিয়া চোধুরী পরাগ শওকত আলীকে স্মরণ করে বলেন, ' উত্তরের ক্ষেপ ' বারবার কাঁদায়, বারবার ভাবায়। তাঁর সাথে তাঁদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।এছাড়াও আসরে অংশগ্রহণকারী কয়েকজন প্রাসঙ্গিক ভাবে কথা বলেন।কবি সোনিয়া কাদির বলেন, ' এই শহরের অগণিত অনুষ্ঠানের মাঝে সাহিত্য একাডেমি নিজস্ব আলোয় আলোকিত এক জ্বলন্ত আলোকশিখা।'ছড়াকার মঞ্জুর কাদের বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি দিনদিন বেশ যুবক হয়ে উঠছে। 'আবু সায়িদ রতন বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির যে কোন নতুন পরিকল্পনার সাথেই আমরা থাকবো।'

কবি আনোয়ার সেলিম বলেন, ' সাহিত্য একাডেমিতে না আসলে লেখালিখি হতোনা। 'লিয়াকত আলী বলেন, ' প্রতি মাসের শেষ শুক্রবার যেন কবিতার জন্মদিন। 'প্রথমবারের মত এসে লেখক কামাল হোসেন মিঠু বলেন, ' সাহিত্য একাডেমির কথা বহুবার শুনেছি, এসে ভাল লাগছে। ভবিষ্যৎতে নিয়মিত আসার চেষ্টা করবো। 'কবি মোহাম্মদ আলী বাবুল বলেন, ' সাহিত্য একাডেমি একটি ফুলের বাগান। একেকটি ফুল তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সুবাস বিলায়, আমরা সে সুবাস গ্রহণ করি।

গীতিকার ইসতিয়াক রুপু জানান, ' প্রথম আলোতে প্রকাশিত সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানসূচী দেখে অনেকেই অনুষ্ঠানে আসেন।' তাঁর কথার রেষ ধরে পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, 'অন্যান্য প্রচার মাধ্যমগুলোও যদি সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানের ঘোষণাটি প্রকাশ করেন তাহলে আরো অনেকেই সাহিত্য একাডেমির অনুষ্ঠানে আসতে পারবেন।'


আসরে চমৎকার আবৃত্তি করে শুনান কবি আহমেদ হোসেন বাবু এবং আবৃত্তিকার পারভীন সুলতানা।প্রাবন্ধিক শামসাদ হুসাম অন্য কবির একটি কবিতা পাঠ করেন।

এছাড়াও বুদ্ধদেব বসুর উপরে কবি শহীদ কাদরীরলেখা অত্যন্ত তথ্যমূলক একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন কবি পত্নী নীরা কাদরী।

সবাইকে ধন্যবাদ এবং আগামী আসরের আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রায় আড়াই ঘন্টার অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


জন্মদিনে প্রিয়জনের ভালোবাসায় সিক্ত কবি কামাল চৌধুরী যেখানেই থাকিনা কেন দেশ আমার সঙ্গেই থাকে

বৃহস্পতিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ::নিউইয়র্কে বরেণ্য কবি কামাল চৌধুরীর জন্মদিন পালিত হলো। হৃদয়ের গভীর আবেগ আর ভালোবাসায় কথা,কবিতা,গানে প্রিয়জনকে সিক্ত করলেন প্রবাসীরা। কবির প্রতি বিনম্র মমতা এবং আর কবিসত্ত্বাকে সম্মান জানাতে বন্ধু, শুভানুধ্যায়ী, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী মিলিত হন এক মিলন মেলায়।  আমি বাংলা ভাষার কবি , আমার দেশ আছে, আমার মানচিত্র আছে, আমার নিজস্ব ভুগোল আছে। আমি যেখানেই থাকিনা কেন দেশ সব সময় আমার সঙ্গে থাকে।

এই মুহূর্তে আমি নিউ ইয়র্কে আছি এবং এখানকার কবিবন্ধু, লেখক, পাঠক ও সতীর্থরামিলে আমাকে ঘিরে যে আয়োজন করেছেন তাতে আমি খুবই আনন্দিত। এর মাধ্যমে আমি দেশের বাইরেও বৃহত্তর পাঠক সমাজ ও শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে আমাদের কবিতা এবং লেখালেখির বিষয়ে মতামত বিনিময়ের সুযোগ পেলাম। দেশ, মাটি এবং মানুষের প্রতি সবসময় দায়বদ্ধ আমার কবিতা। ২৮ জানুয়ারি নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে চ্যানেল আই ও মুক্তধারা নিউইয়র্কের সহযোগিতায় সাউথ এশিয়ান রাইটার্স এন্ড জারনালিস্টস ফোরাম আয়োজিত কবি, লেখক সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের এক বিশেষ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সময়কার অন্যতম প্রধান কবি কামাল চৌধুরী এই কথাগুলো বলেন।
 
তিনি আরও বলেন, আসলে একজন কবিতো বিচ্ছিন্ন কোন মানুষ নন। একজন কবি তাঁর সময়, তাঁর পরিবেশ তাঁর চতুরপার্শ্ব, তাঁর অভিজ্ঞতা , জীবন, স্বপ্ন, আকাংখা, হতাশা , আনন্দ , সবকিছু মিলিয়েইতো একজন কবি বেড়ে ওঠেন। সেই জন্যেই আমরা বলি আমরা যে পথে হাটি, যা কিছু দেখি সেটাই আমাদের অভিজ্ঞতা। আমরা দেশে যে উত্থান, পতন, উল্লাস প্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ দেখি সবকিছু মিলিয়েই কিন্তু একজন কবিকে প্রস্তুত হতে হয়।
 
একেবারে ভিন্ন সাধের এই অনুষ্ঠানের মুল আয়োজক ছিলেন কবির আশৈশব ঘনিষ্ঠ বন্ধু, বর্তমানে নিউইয়র্ক প্রবাসী  সাংবাদিক ও কলামিস্ট আকবর হায়দার কিরন। তিনি কবিকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান প্রবাসের অনেক বিশিষ্টজন সহ। কবি কামাল চৌধুরীকে সভাস্থলে নিয়ে আসেন তাঁর বিশেষ প্রিয়ভাজন এবং নিউইয়র্কে নিযুক্ত সন্মানিত কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। অনেকেরই জানা ছিলো ২৮ জানুয়ারি কবির জন্মদিন। তাই হৃদয়ভরা ভালোবাসা, কথামালা, আবৃত্তি ও গান দিয়ে কবিকে সিক্ত করেছেন সমবেত সবাই।

কবি কামাল চৌধুরীকে ঘিরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান যেন পরিনত হয় এক মিলন মেলায়। চ্যানেল আই এর পক্ষে ফুলের তোড়া দিয়ে কবিকে অভিনন্দিত করেন এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি রাশেদ আহমেদ। সাউথ এশিয়ান রাইটার্স এন্ড জারনালিস্টস ফোরামের পক্ষ থেকে কবিকে পরিয়ে দেয়া হয় বিশেষ উত্তরীয়। পাশাপাশি ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে ভালোবাসা জানান আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে কোন সভাপতি কিংবা প্রধান অতিথি ছিলেননা। আকবর হায়দার কিরন তাঁকে নিয়ে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সহ শিল্পী রাগিব আহসান ও শিল্পীমং এর তৈরি অসাধারন ব্যাকড্রপের সামনে রাখা চেয়ারে আসন গ্রহন করেন।
 alt
শুরুতেই কবির কয়েক যুগের চেনা বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট উত্তর আমেরিকার সভাপতি মিথুন আহমেদ অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভঙ্গিমায় কথা ও কবিতায় তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানান। কবি কামাল চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু কবি মাহবুব হাসান, শিল্পী রাগিব আহসান ও কবি ফখ্রুল রচি অল্প কথায় কবির প্রতি তাঁদের ভালোবাসা জানান। নিউইয়র্ক প্রবাসী কবিদের ভেতর মাইক হাতে নিয়ে কবির উদ্দেশ্যে কথা বলেন কবি ফকির ইলিয়াস, কবি শামস আল মমিন ও কবি হাসান আল আব্দুল্লাহ। কনসাল জেনারেল শামীম আহসান সভাস্থলে বসে কবিকে নিয়ে লেখা একটি দারুন ছড়া পড়ে সবাইকে চমৎকৃত করেন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট ডঃ সিদ্দিকুর রহমান তাঁর স্ত্রী শাহানারা রহমান এবং সংগঠনের ঊর্ধ্বতন সব কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠানে এসে কবিকে কামাল চৌধুরীকে জন্মদিনের আনতরিক অভিনন্দন জানান।
 
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ডঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রধান মুখ্য সচিব এর পদ থেকে বিদায় নিয়ে অবসর গ্রহনের পর কবি ফেসবুকের মাধ্যমে এ অসাধারন কথাগুলো লিখেছেন তা আমাকে অভিভুত করেছে। তিনি অত্যন্ত সমাজ ও রাজনীতি সচেতন এই বিশিষ্ট কবির লেখা সবসময় খুব আগ্রহের সাথে পড়েন বলে জানান। ডঃ সিদ্দিক কবিকে জননেত্রীর খুব কাছে দেখেছেন বহুদিন ধরে। সত্তর দশকের শেষের দিকে কবি কামাল চৌধুরীর লেখা কবিতা দিয়েই যে ছাত্রলীগের দলীয় সংগীত রচিত হয় সেই খবরও তিনি ভালোবাবেই রাখেন।


প্রবাসের আরেকজন  আবৃত্তিকার গোপন সাহা ১৯৭৮ সালে ঢাকার কাছে আদমজীনগরে রচিত কবি কামাল চৌধুরীর একটি বিখ্যাত কবিতা পড়েন গভীর আবেগ দিয়ে। আনান্দধনির অর্ঘ্য সারথি দাস কবির জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানান ‘আগুনের পরশমণি ছোয়াও প্রানে’গেয়ে। এ সময় মিলনায়তনে সমবেত সবাই তার সাথে কণ্ঠ মেলান। অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশিষ্ট লেখক ফেরদৌস সাজেদিন তাঁদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের একই কক্ষে স্বাধীনতার আগে ও পরে আবাসনের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানের পরবর্তী পর্যায়ে এক প্রশ্নের উত্তরে কবি মজা করে বলেন, যদিও হলের রুমটি আমার নামে ছিল কিন্তু তার দখলদার ছিল আমার দুই প্রিয় বন্ধু আকবর হায়দার কিরন ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ। কবির স্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব ইফফাত আরা পলীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কবি প্যারিসে রচিত এবং এখনো অপ্রকাশিত একটি কবিতা তাঁর নোটবুক থেকে পড়ে শোনান। ।কবিকে ঘিরে দারুন এক সন্ধ্যা উপভোগ করেন আগত অতিথিরা।


 কবির কাছে নানা প্রশ্ন রাখেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। জানতে চান, তার শৈশব, কৈশরসহ জীবনের সাতকাহন। কবি উত্তর দেন। তিনি জানান, মেট্রিক (এসএসসি) পরীক্ষার সময় সবাই যখন পড়া নিয়ে ব্যস্ত সেই সময় কবিতা লেখার নেশা চেপে বসে তার মাথায়। ছেলের হাবভাব ভালো না দেখে চিন্তায় পড়ে যান তার বাবা। কিন্তু পরীক্ষায় তিনি যখন ফাষ্ট ডিভিশন পান তখন বাবা বুঝতে তিনি যা ভেবেছিলেন ছেলে তার চেয়ে অনেক বেশি মেধাবী। ঢাকা কলেজে ভর্তি হবার পর জাফর ওয়াজেদসহ বাঘা বাঘা কবিদের সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয় বলে জানান তিনি। বাদ দেননি প্রেম প্রসঙ্গও। বলেন, মাত্র বিসিএস দিয়েছি। প্রেমে পড়ে যাই তখন। কিন্তু পরিবার রাজি না থাকায় বেশ কিছুটা অসুবিধায় পড়তে হয় বৈকি। তখন সবে প্রথম কাব্যগ্রন্থ বেরিয়েছে। তাই কিছুদিন ছেদ পড়ে যায়


মুক্তিযোদ্ধা ও কলামিষ্ট আবু জাফর মাহমুদের শয্যা পাশে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ

সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন , বাপসনিউজ : বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যান সমিতির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান, আন্তজার্তিক রাজনীতি বিশ্লেষক, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর মাহমুদ গত ২৪ জানুয়ারী বুধবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যাথা অনুভব করলে জরুরী এষ্টোরিয়ার মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে একদিন চিকিৎসার পর ২৫ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার রাতে ম্যানহাটানস্থ মাউন্ট সিনাই প্রধান হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে। মাউন্ট সিনাই হার্ট শাখায় ২০৬ নাম্বার রুমে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে।খবর বাপসনিঊজ।


ছবির ক্যাপশন ঃ আবু জাফর মাহমুদ মাঝে হাসপাতালে হাকিকুল ইসলাম খোকন ও জনাব সারোয়ারকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।

আবু জাফর মাহমুদকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন কমিউনিটির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। গত ২৫ জানুয়ারী মাইন্ড সিনাই হাসপাতালে তার শয্যা পাশে আমেরিকান প্রেসক্লাব অব  বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ও সিপিএ জনাব সারোয়ারসহ অন্যান্য কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ আবু জাফর মাহমুদকে দেখতে হাসপাতালে যান এবং চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন।

তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সকলের প্রতি যারা হাতপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন এবং টেলিফোনসহ বিভিন্নভাবে তার খোঁজখবর নিয়েছেন। তার পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। তার সাথে যোগাযোগ ৬৪৬-৪১২-৮৭৪২।


জেএসডি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল ৫ ফেব্রুয়ারী নিউইয়র্ক আসছেন

সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ ঃ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল ৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাত ১০টায় নিউইয়র্কের জেএফকে বিমান বন্দরে রাত ১০টায় ডেলটা এয়ারযোগে এসে পৌঁছাবেন। এ সময় তাকে জেএসডি যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতৃবৃন্দ এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীরা তাকে জেএফকেতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবেন। উল্লেখ্য এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল উমরা হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদিআরব গিয়েছিলেন ডিসেম্বরে ।

পরে তিনি সৌদি প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসী ও জেএসডি নেতাকর্মিদের সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি কানাডা আসেন ১৮ জানুয়ারী। কানাডায় অবস্থানকালে তিনি জেএসডি নেতাকর্মীদের এবং লক্ষীপুর জেলা প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেন। যুক্তরাষ্ট্রে জেএসডি ও প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসীসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে ও মতবিনীময় করবেন এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে অংশ নিবেন। তিনি ১২ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল লক্ষীপুর-৩ জাতীয় সংসদ আসনে আগামী নির্বাচনে জেএসডি’র প্রাথী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।

তার সাথে যোগাযোগ- লিটন ৩৪৭-৩২৩-৪৪৭০ ,শামীম ৬৪৬-২৬০-৪২১২ ও তসলিম ৬৪৬-২০৯-৫৮৫১। এডভোকেট বেলায়েত হোসেন বেলাল ৬ ফেব্রুয়ারী নিউইয়র্কে  যুক্তরাষ্ট্রে জেএসডি ও প্রবাসী লক্ষীপুর জেলাবাসীসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সাথে ও মতবিনীময় করবেন।


সিপিবিনেতা ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অধ্যাপক এমএম আকাশ ও প্রবাসী বুদ্ধিজীবিদের প্রবাসমেলার কপি উপহার

রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিউজ ঃ সিপিবিনেতা ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এমএম আকাশ ও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বুদ্ধিজীবি,সাংবাদিক, লেখক,কবি ও চলচিত্রকারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের গত ৫ নভেম্বর রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজার কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্ক (বেণ) আয়োজিত সেমিনারের প্রারম্ভে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিপিবিনেতা ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক অধ্যাপক এমএম আকাশ,

Picture

অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রকৌশলী এমদাদুল ইসলাম,জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সিনিয়র ইকোনোমিক এ্যাফেয়ার্স অফিসার ,বেণ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের গ্রাম আলোচিত গ্রন্থসহ বহু গ্রন্থের প্রণেতা ড. নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি প্রকৌশলী ড. মহসিন সিদ্দিক, প্রাবন্ধিক ও বিটিভির সাবেক প্রযোজক বেলাল বেগ, চলচিত্রকার আলমগীর কবির,মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম,উদিচী যুক্তরাষ্ট্র শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি লেখক ও মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ^াস, লেখক ফাহিম রেজা নূর, বেণ-এর ট্রায়ষ্টেট এর সমন্ধয়কারী সৈয়দ ফজলুর রহমান ও কবি ইসলামসহ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দকে অনুষ্ঠানের প্রারম্ভে প্রবাস মেলা যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি তাদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবাসমেলার সৌজন্য কপি উপহার প্রদান করেন।খবর বাপসনিঊজ।পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত দেশের প্রথম এবং একমাত্র পাক্ষিক ম্যাগাজিন। প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়মিতভাবে পত্রিকাটিতে তুলে ধরা হচ্ছে। প্রবাসীরা প্রবাস জীবনের অনুভ’তি অভিজ্ঞতা নিয়ে যে কোন লেখা পাঠাতে পারেন ( এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে। )|

alt

ছবিতে বাথেকে সৈয়দ ফজলুর রহমান, বেলাল বেগ , আবুল কাশেম, ফাহিম রেজা নূর, হাকিকুল ইসলাম খোকন ড. নজরুল ইসলাম,, অধ্যাপক এমএম আকাশ , আলমগীর কবির, এমদাদুল ইসলাম, ড. মহসিন সিদ্দিক, সুব্রত বিশ^াস, ও কবি ইসলা কে দেখা য়াচেছ ।ছবি:বাপসনিঊজ।


এমএ কাইয়ুমের শয্যার পাশে কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ

রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন , বাপসনিউজ ঃ এসএনএস-এর প্রেসিডেন্ট,কুইন্স ডিষ্ট্রিক এটর্নীর এশিয়ান আমেরিকান এডভাইজারী কাউন্সিলের অন্যতম সদস্য ও জালালাবাদ এশোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট কমিনিটির সুপরিচিত এক্টিভিষ্ট এমএ কাইয়ুমকে গত ১১ই জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার অপরাহ্ন ১২টায় নিউইয়র্কের ১৪৫০ ম্যাডিসন এভিনিউস্থ মাইন্ড সিনাই হাসপাতালে তার শয্যা পাশে আমেরিকান প্রেসক্লাব অব  বাংলাদেশ অরিজিন সভাপতি ও বাপসনিউজ এডিটর সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন ,প্রবীণ শিশু সাহিত্যিক হাসানুর রহমান এবং নিউজ পোর্টাল জার্নালিষ্ট আয়শা আকতার ও কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ দেখা করেন এবং এমএ কাইয়ুমের সুচিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। উল্লেখ্য গত বছর ডিসেম্বরে হঠাৎ হার্ট এট্যাকে অসুস্থ হলে জরুরী মাউন্ড সিনাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

alt

তার ডান হাত এবং পায়ে নিয়মিত থেরাপি চলছে। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সকলের প্রতি যারা হাতপাতালে গিয়ে দেখা করেছেন এবং টেলিফোনসহ বিভিন্নভাবে তার খোঁজখবর নিয়েছেন। তার পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। তার সাথে যোগাযোগ ৬৪৬-৪১২-৮৭৪২।

ছবির ক্যাপশন ঃ হাসপাতালে এমএ কাইয়ুমের পেছনে হাকিকুল ইসলাম খোকনকে দেখা যাচ্ছে। ছবি বাপসনিউজ।


সাহিত্য একাডেমি নিউইয়র্ক ' এর বিজয় দিবসের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১৮

হাকিকুল ইসলাম খোকন,বাপসনিঊজ:ঝড়, বৃষ্টি, তুষারপাত সে যাই হোক না কেন মাসের শেষ শুক্রবারটি যেন নিউইয়র্ক শহরে বসবাসরত সাহিত্যমোদীদের জন্য সাহিত্য একাডেমিকে ঘিরে একটি আনন্দের দিন। বছরের নিয়মিত শেষ আসরটিতে এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি।

Picture

হাঁড় কাঁপানো শীতেও বিপুল সংখ্যক সাহিত্যপ্রেমীরা প্রাণের টানে ছুটে এসেছেন সাহিত্য একাডেমিতে। বাহিরে প্রবাহিত শৈত্য প্রবাহের আধিপত্য, ভেতরের চা- কফির উষ্ণ আতিথেয়তায় যেন দূর হয়ে গেছে!বিজয় দিবসের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানিয়ে পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন 'সাহিত্য একাডেমি, নিউইয়র্ক ' এর পরিচালক মোশাররফ হোসেন। আলোচনার মাঝে মাঝে এবারও প্রায় ৩০ জনের মত লেখক, কবি তাদের লেখা পাঠ করেন।

alt
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন হাসান ফেরদৌস, ফজলুর রহমান, তমিজ উদদীন লোদী, আহমাদ মাযহার, ফকির ইলিয়াস, এবিএম সালেহ উদ্দীন।নিজেদের লেখা কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ এবং আবৃত্তি করেন সুরীত বড়ুয়া, নাসিরুল্লাহ মোহাম্মদ, ইশতিয়াক রুপু, আবুল বাশার, কাজী আতিক, রানু ফেরদৌস, শামীম আরা আফিয়া, স্বফন দেওয়ান, ফারহানা ইলিয়াস তুলি, বেগম সোনিয়া কাদির, ফকির ইলিয়াস, আহম্মদ হোসেন বাবু, মমতাজ বেগম (আলো), শাহীন ইবনে দিলওয়ার, নাসিমা আকতার, কামরুন নাহার রীতা, পলি শাহীনা, তাহমিনা সাইদ, আবু সাঈদ রতন, নীরা কাদরী, মোশাররফ হোসেন, সালেহীন সাজু, আনোয়ার সেলিম, পারভীন পিয়া, উইলি মুক্তি প্রমুখ।

alt
শুরুতেই লেখক আহমাদ মাযহার তার আলোচনায় বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে তুলে ধরেন। সময়ের পরিক্রমায় লেখকের সৃষ্টিকর্ম তাঁকে অধিষ্ঠিত করেন মহামানবের আসনে। ৯-ই ডিসেম্বর 'বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন'এর জন্মদিন উপলক্ষে আহমাদ মাযহার তাঁর ' সুলতানার স্বপ্ন' উপন্যাসটির উপরে আলোকপাত করে বলেন,' বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন শুধুমাত্র একজন সমাজ সংস্কারক নয় সাহিত্যের দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করলে তিনি ছিলেন একজন সৃজনশীল মানুষ। ' তিনি আরো বলেন,  ' সুলতানার স্বপ্ন উপন্যাসটির গঠন অসাধারণ হওয়া সত্বেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় সে সময়টায় তার কথা কোথায়ও তেমন উল্লেখযোগ্য ভাবে আসেনি। হিন্দু সমাজ খেয়াল-ই করেনি যে মুসলমানরা সাহিত্য চর্চা শুরু করেছেন। '

alt
এরপর কবি তমিজ উদদীন লোদী তার নির্ধারিত বক্তব্যে গণমানুষের কবি দিলওয়ারকে তুলে ধরেন। মহকালের ইতিহাসে লেখকের রচিত সাহিত্যই কথা বলবে। বাংলা একাডেমি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গণমানুষের কবি' দিলওয়ার' সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে কবি তমিজ উদদীন লোদী বলেন, ' কবি দিলওয়ার একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন। কবিতা লেখার জন্য যারাই যেতেন তাঁর কাছে সবাইকে পরম মমতায় কাছে টেনে নিতেন। ছন্দের প্রতি তার প্রবল নিষ্ঠা ছিল। মাত্রাবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত, স্বরবিত্তে লিখতেন তিনি। সাধারণ মানুষদের সাথে মিশে যেতেন অনায়াসেই। সবসময় পড়ার মধ্যেই থাকতেন। কবি দিলওয়ার একজন প্রথম সারির গীতিকার ছিলেন। গীতিকবিতা যারা লিখেছেন কবি দিলওয়ার ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম।তাঁর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং কবি দিলওয়ারের অপ্রকাশিত রচনাবলী যেন প্রকাশিত হয় সে আশা পোষণ করে তমিজ উদ্দিন লোদী তার আলোচনার ইতি টানেন।

alt
কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবিপুত্র শাহীন ইবনে দিলওয়ার এবং মোশাররফ হোসেন একটি করে কবিতা পড়েন। এরপরেই শুরু হয় লেখকদের লেখা পাঠ।এই পর্যায়ে পঠিত লেখার উপরে আলোকপাত করেন কবি ফকির ইলিয়াস। তিনি বলেন, ' অগ্রজ কবিরা কি বলেছেন তা জানা দরকার, তাঁদের বই পড়া আবশ্যক। কবির কবিতা একজন মানুষের সাথে কিভাবে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করেন তা বর্ণনা করতে গিয়ে ফকির ইলিয়াস উল্লেখ করেন কবি দিলওয়ারের কথা। তাঁর কবিতা পড়ে কিভাবে ঢেউ আঁচড়ে পড়ে পিলারের গায়ে তা দেখার জন্য নৌকা করে তিনি সে জায়গাটি পরিদর্শনে যান। '

alt
পাঠকদের ভালোবাসা, আদরে লেখকরা থাকেন তাদের হৃদয়ে। প্রতিটি মানুষের জীবন যেন অলিখিত গল্পের একেকটি মহাসমুদ্র। সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ফজলুর রহমান বলেন, ' ভালোবাসা দিয়ে খুব সহজে মানুষকে তুষ্ট করা যায়। এখানে ভালোবাসা পাই তাই ফিরে ফিরে আসি। গণমানুষের কবি দিলওয়ার, বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের মত আলোকিত মানুষেরা ছিলেন বলেই আমরা বাঙালীরা গর্ব করতে পারি।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বেশী বেশী পড়বেন, লিখবেন এবং ভালো মানুষ হবার চেষ্টা করবেন। '

alt

লেখক এবিএম সালেহ উদ্দিন বলেন, ' আনন্দ এবং বেদনা দুটোই রয়েছে এই বছর জুড়ে। সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে সামনের দিনগুলো যেন সবার জন্য মঙ্গলময় হয় সে প্রত্যাশা করেন।বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি' শহীদ কাদরী'র ' সদ্য প্রকাশিত কবিতার বই ' গোধূলির গান' থেকে কবিতা পাঠ করেন কবি পত্নী নীরা কাদরী।ভেদ-ক্লেদ ভুলে প্রতিটি প্রাণ জেগে উঠুক নতুন বছরে প্রাণের আনন্দে। কবি কাজী আতিক সবাইকে আগাম নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার নিজের দুটো কবিতা পাঠ করেন।

alt
কবি তার লেখায় মহাকালের ছবি এঁকে যান। কবি সোনিয়া কাদির বলেন, ' কবি দিলওয়ারের লেখা থেকে তিনি উপকৃত, অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তাঁর অফুরন্ত স্নেহের ঢালি থেকে তিনি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন।লেখক হাসান ফেরদৌস নিজ বই থেকে পাঠকৃত প্রবন্ধে উঠে এসেছে ইতিহাসে দূষ্ট লোকেরাও কবিতা লিখেছেন যেমন, হিটলার, মুসোলিনী প্রমুখ। 'কবিতা লেখকের ভাবনা দৃষ্টির আয়না হলেও লেখকরা অন্যরকম বিশেষ শ্রেণীর মানুষ। তারা চিন্তা, চেতনায় সবাই নিজের জায়গায় আলাদা স্বত্বা। ' তাঁর প্রবন্ধটি পাঠ শেষে বিষয়বস্তুর সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন।অনুষ্ঠানের প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে কবি তমিজ উদদীন লোদী ও ফকির ইলিয়াসকে সাহিত্য একাডেমির পক্ষ হতে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো হয়।সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং জানুয়ারি মাসের শেষ শুক্রবার আবারো সাহিত্য একাডেমি'র মাসিক আসরে মিলিত হবার প্রত্যাশা রেখে একাডেমি'র পরিচালক মোশাররফ হোসেন অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানেন।


মানবজাতির মঙ্গল কামনায় বড়দিন উদযাপন করেছে বেথেল ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ নিউইয়র্ক

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ: যথাযথ ধর্মীয় আচার , মানবজাতির মঙ্গল কামনায় আনন্দ -উদ্দীপনা আর বর্নিল আয়োজনে সামবার উদযাপিত হয়েছে খিষ্ট ধর্মাবল্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন। এই দিনে খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে প্রভু যিশুর এই ধরায় আগমন ঘটেছিল।

alt
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বড়দিন উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গির্জাগুলোতে রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে পালন করা হয় এই উৎসব। গির্জাগুলোতে রাতেই প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। যিশু খ্রিস্টের আগমনের এ দিনকে ঘিরে চলে রাতের প্রার্থনা। বেথেল ব্যাপ্টিস্ট চার্চ বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। চার্চগুলোতেও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা উত্সাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করছেন। খ্রিস্টজাগ (প্রার্থনা) ছাড়াও ছিল কীর্তন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

alt

বর্ণিল আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে বড় দিনের ক্রিসমাস ট্রি, প্রতীকী গোশালা, গির্জার পাশে স্বজনদের সমাধি ফুলে ফুলে ঢেকে দেয়া হয়। গির্জাগুলোর প্রবেশপথে শুভেচ্ছা কার্ডসহ উপহারসামগ্রী বিক্রির দোকান বসেছে।

alt
বড়দিন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্কে বাঙ্গালীদের অন্যতম বেথেল ব্যাপ্টিষ্ট চার্চ নিউইয়র্ক বিভিন্ন অনুষ্টানের আয়োজন করে ।৭২-০১, ৪৩ এভিনিউ,উডসাইড নিউইয়র্কের বেথেল ব্যাপ্টিষ্ট চার্চে গত ২৫ ডিসেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশেষ বক্তব্য রাখেন। উদোধনী প্রার্থনা করেন শিলা বিশ^াস ।

alt

ক্রিসমাচের উপর বিশেষ আলোকপাত করেন ড. টমাস দুলু রায়,ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. রাসেল বিশ^াস, ওয়ার - সঙ্গীত শুন্য সুরংগ.দুতার রব।

alt
বড়দিনের প্রার্থনা ও অভিবাদন জানান রেভারেন্ড ও পেষ্টোর লিটন অধিকারী । বিশেষ সঙ্গীত ও বড়দিনের সঙ্গীত করেন মুক্তি বরতা নিয়া, মানু, তোরজু,মায়া মন্ডল,লিয়া ,সাবরিনা , জেসম, রতœা, ডিপ জুলি, মাহমুদা রহমান, প্রমুখ । বিশেষ প্রার্থনা করেন রাসেল ও শিল্পী ইসলাম পিটার এস ম্যাক ফিল্ড।

alt
বড়দিনের তাৎপর্যপূর্ন বক্তব্য রাখেন রেভারেল্ড ও পেষ্টর লিটন অধিকারী , দিপিকা দাস। আয়োজকদের পক্ষ্য থেকে বিশেষ আলোকপাত করেন মাইক্যাল মাধু, নিলিমা, মিজান , হালিম , মনসুর রহমান, শাওন প্রমুখ। প্রার্থণা করেন পাষ্টর মার্টিন ব্যারল,বড় দিনের বিশেষ সংগীত পরিবেশন করেন মায়া মন্ডল,শিলা বিশ^াস,আর্ণল্ড বিশ^াস,প্রার্থনা করেন শিল্পী,যমুনা চক্রবর্তী, যুহানা বিশ^াস, নিলীমা বিনতে অন্তরা হালদার, শ্যামল হালদার সহযোগীতায় মাইকেল মধু, নীলিমা, শ্যামল, মঞ্জু, ক্রিষ্টফার, বেবী, শাবানী,মায়া মন্ডল, দরুথী, লিয়া, অন্তরা, শিলা, আর্ণল্ড মুনমুন, মঞ্জু, শ্যামলী, রতœা, জেমস, প্রকৃতি।

alt
অতিথিদের মাঝে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক একেএম রুহুল আমীন ও আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন-এর সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকনসহ প্রবাসের বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিল্পী ,সাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক, কবি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ রেভারেল্ড ও পেষ্টর লিটন অধিকারী আমন্ত্রিত অতিথিদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।সান্ডখøজ উপস্থিত সবাইকে উপহার বিতরণ করেন। রকমারী আয়োজনে মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়ন করা হয়। ছোট মনি জেমিমার জন্মদিনের কেককাটা হয়।

alt
বড়দিনের তাৎপর্যপূর্ন বক্তব্য রেভারেল্ড ও পেষ্টর লিটন অধিকারী এক শুভেচ্ছা বাণীতে বলেন, “শুভ বড়দিন উপলক্ষে আমরা বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সব খৃস্ট ধর্মাবলম্বীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তাদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। সত্য-ন্যায়ের পথ প্রদর্শক যীশুখৃস্ট এদিনে জন্মগ্রহণ করেন। খৃস্ট ধর্মাবলম্বীর কাছে তাই এ দিনটি অত্যন্ত মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ। সব ধর্মের মর্মবাণী শান্তি ও মানবকল্যাণ। যুগে যুগে মহামানবরা মানুষের সৎ পথে চলার দিশারী হয়েছিলেন। মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন ন্যায় ও কল্যাণের পথে। মহান যীশুখৃস্টও একইভাবে তাদের অনুসারীদের সৎকর্ম ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ করে গেছেন।তিনি আরো বলেন, “শুভ বড় দিন একটি সার্বজনীন ধর্মীয় উৎসব। আর প্রতিটি ধর্মীয় উৎসবের অন্তর্লোক হচ্ছে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও শুভেচ্ছ। মানুষ হিসেবে আমাদের কর্তব্য- দেশ, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়া, হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার হরে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সব ধরনের অন্যায় অবিচার প্রতিরোধে ব্রতী হওয়া।”

alt
শেষ রকমারী মজাদার আয়োজনে মধ্যাহ্ন ভোজে আপ্যায়ন করা হয় অতিথি ও অভ্যাগতদের ।দিনটি উপলক্ষে অনেক খ্রিস্টান পরিবারে কেক তৈরি ও বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য অনেকে বড়দিনকে বেছে নেন।বড়দিন উপলক্ষে অনেক জায়গায় আয়োজন করা হয়েছে প্রীতিভোজের। এদিন সরকারি ছুটি ছিল। টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনগুলো বড়দিন উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সংবাদপত্র এবং অনলাইনে বিশেষ নিবন্ধে দিনটির তাত্পর্য তুলে ধরা হচ্ছে।

alt
রাতে কেক কাটা ও প্রার্থনার পর সকালে আবারো গির্জায় একত্রিত হন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। সকালের প্রার্থনার পর বাড়িতে ফিরে ছোটরা বড়দের আশীর্বাদ নেয়। শিশুদের মধ্যে বড়দিনের বাড়তি আমেজ ছড়িয়ে দিতে গির্জায় গির্জায় প্রধান ফটকেই সান্ডাক্লজ শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ উপহার নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। শিশু-কিশোররা চকোলেট, ক্যান্ডি পাওয়ার পাশাপাশি শান্ডাক্লজকে পেয়ে বাড়তি আনন্দ পায়। রেভারেন্ড ও পেষ্টোর লিটন অধিকারী পুণ্যার্থীদের মধ্যে মিষ্টি খাবার বিতরণ করেন। তিনি বাণী পাঠ ও বিশ্লেষণ করে শোনান পুণ্যার্থীদের। তিনি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


নিউইয়র্কে জমজমাট আয়োজনে ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’ অনুষ্ঠিত

বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭

Picture

হাকিকুল ইসলাম খোকন ,বাপসনিউজ:বিগত বছরগুলোর মতো এবারো নিউইয়র্কে জমজমাট আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড-২০১৭’। সিটির উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে গত ২৩ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় শো-টাইম মিউজিক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দেশ ও প্রবাসের জনপ্রিয়

 তারকাদের পরিবেশনায় ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

alt

বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নীর সঙ্গীত আর নতুন প্রজন্মের চিত্র নায়িকা জলি ও প্রিয়া বিপাসা এবং রোকসানা মির্জার পরিবেশনা উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

alt

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছিলো মনোজ্ঞ ফ্যাশন শো সহ দেশী-প্রবাসী শিল্পীদের নাচ-গান। সন্ধ্যা ৮টা থেকে মধ্যরাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি চলে। 

এদিকে প্রবাসের বুকে বেড়ে উঠা প্রতিভাকে আরো সমৃদ্ধ করতে বিনোদন জগতের অন্যতম ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে টাইম টেলিভিশন।

alt

বর্ণাঢ্য এ আয়োজনটি ছিল শো-টাইম মিউজিকের নবম তারকা অ্যাওয়ার্ড আসর। যাতে দেশের খ্যাতিম্যান তারকা ও সংস্কৃতি জগতের শিল্পীদের পাশাপাশি ছিল প্রবাসী শিল্পীদের এক মিলন মেলা।

শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেট’র কনসাল জেনারেল শামীম আহসান। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার এস আই টুটল। অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলেন বাংলাদেশী মালিকানাধীন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ স্কুল ‘শিফট’। পাওয়ার্ড বাই উৎসব কুরিয়ারের এই অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলো পিপল এন টেক। 

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ছাড়াও টাইম টেলিভিশন-এর পক্ষে জেসিকা তারতিলা শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। এসময় টাইম টেলিভিশনের বিজনেস কনসালটেন্ট নুসরাত শারমীন তিসাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে টাইম টেলিভিশনের কাছে নিজেদের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও কলাকূশলীরা।

অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভীন সহ বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে প্রবাসের ৩৫জন শিল্পী, ব্যবসায়ী, সংগঠককে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন:  শিফট’র কর্ণধার ড. ইফতেখার ইভান, বাংলাদেশ সোসাইটির স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব, সংগঠক খন্দকার এ এইচ জগলু, ডিজিটাল ওয়ান-এর বেলাল আহমেদ, প্রিমিয়াম সুইটসের সত্ত্বাধিকারী সোহাগ আজম, প্রবাসী শিল্পী রানো নেওয়াজ, চন্দ্রিকা দে, স্বম্পা জামান, বীনা বর্মণ, লাল্টু, মনিকা দাস, মল্লিকা, ফেরদৌসী, নিশা, চন্দ্রিকা দে প্রমুখ এবার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

alt

এবার পড়ালেখা বিষয়ে অংক পরিবেশনার জন্য স্পেশাল ট্যালেন্ট হিসেবে ফাতিহা আয়াতকে ‘এনআরবি তারকা অ্যাওয়ার্ড- ২০১৭’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে কনসাল জেনারেল শামীম আহসান বলেন, প্রবাসে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনে শিল্পী-সংস্কৃতিসেবী সহ প্রবাসীরা আরো ভালো কাজে উৎসাহীত হবে। পাশাপাশি বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি আরো বিকশিত হবে। 

শিল্পী এস আই টুটুল বলেন, নিউইয়র্কে এসে মনে হচ্ছে আমরা বাংলাদেশীই আছি। তিনি অনুষ্ঠানটি আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, শিল্পী সহ প্রবাসের জ্ঞানী-গুণীজনরা সম্মানিত হবে আমরা আরো ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।

alt

প্রসঙ্গত তিনি আরো বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই আজকের অনুষ্ঠানে কোন গান গাইবো। আমি কোন আইন ভাঙতে চাই না। আমি আমেরিকায় অনেকবার এসেছি, গানও করেছি। কিন্তু এবার আমেরিকায় আসার ভিসার শর্ত মোতাবেক আমি গান গাইতে পারবো না। তবে আগামীতে আবার আসবো এবং গান করবো। 

গানের ফাঁকে ফাঁকে শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী নিউইয়র্ক তথা উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশী অডিএন্সের প্রশংসা করে বলেন, এখানকার দর্শক-শ্রোতা খুব ভালো। মনে হচ্ছে বাংলাদেশেই গান করছি। প্রবাসী শ্রোতাদের মুখে মুখে তার নিজের গাওয়া গান শুনে তিনি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। 

alt

অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য আয়োজক আলমগীর খান আলম উপস্থিত সকল দর্শক-শ্রোতাকে ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষ কারণে শিল্পী এস আই টুটুল গান পরিবেশন করতে না পারায় আগামী বছরের এপ্রিল মাসে তাকে (এস আই টুটুল) ও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন-কে নিয়ে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষনা দেন। 

alt

সাপ্তাহিক বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টেলিভিশন-এর সিইও আবু তাহের, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল চেয়ারম্যান ডেইজী সারোয়ার এবং অনুষ্ঠানের গোল্ড স্পন্সর এবং এনওয়াই ইন্সুরেন্স ইনক’র প্রেসিডেন্ট শাহ নেওয়াজ ছাড়াও কমিউনিটির উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে ড. এনামুল হক, নাদিম আহমেদ, হাজী আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, ফকু চৌধুরী, শিফট’র ডাইরেক্টর অব এডুকেশন শায়লা ইফতেখার প্রমুখ সহ বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

alt

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন আবীর আলমগীর ও মোহাম্মদ সেলিম ইব্রাহীম। 

alt

অনুষ্ঠানটি সদস্য প্রয়াত বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী বারী সিদ্দিকীর স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।