Slideshows

ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার
ব্যানার

পরিচালনা পরিষদ 

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

ওসমান গনি
 

প্রধান সম্পাদক

হাকিকুল ইসলাম খোকন
 

সম্পাদক

সুহাস বড়ুয়া হাসু
 

সহযোগী সম্পাদক

আয়েশা আকতার রুবী

বিনোদন

আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম

শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আমেরিকার নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা কারা মুন্ড এবার মিস আমেরিকা নির্বাচিত হয়েছেন। রবিবার রাতে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাকে মিস আমেরিকা ঘোষণা করা হয়।লাইফস্টাইল, ফিটনেস, মেধা, সাক্ষাৎকার, সরাসরি প্রশ্নে আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিযোগীকে হারিয়ে তিনি এ গৌরব অর্জন করেন।

Picture

মিস আমেরিকা আয়োজনের এ শতাব্দী পূর্ণ হলেও নর্থ ডাকোটার কোনো তরুণী এ খেতাব জিততে পারেনি। কারা মুন্ড সে হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। 

২৩ বছর কারা মুন্ড স্নাতক করেছেন ব্রাউন ইউনিভার্সিটি থেকে। এখন নটর ডেম ইউনিভার্সিটিতে আইন বিষয় পড়ছেন। আমেরিকার নতুন মিস আমেরিকা কারা মুন্ড রোল মডেল হিসেবে অনুসরণ করেন নিজের মাকে।


নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক

মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭
বাপ্ নিউজ : ৭ সেপ্টেম্বর থেকে নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে শুরু হয়েছে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক-২০১৭। মার্কিন ফ্যাশন ডিজাইনার ক্রিস্টিয়ান সিরিয়ানোর তৈরি পোশাকে নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইকের র‍্যাম্পে এক মডেল। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানোর বসন্ত ও গ্রীষ্মকালীন পোশাকে রানওয়েতে হেঁটে যান এই মডেল। শনিবারের ছবি। ছবি: রয়টার্স
ছবিটি নিউইয়র্ক ফ্যাশন উইক-২০১৭-এর ফ্যাশন শো থেকে শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
শনিবার ক্রিশ্চিয়ান সিরিয়ানোর তৈরি করা এই উজ্জ্বল হলুদ রঙের পোশাকটি দর্শকদের নজর কেড়েছিল। ছবি: রয়টার্স
র‍্যাম্পে আসা এক মডেলের পোশাকের অংশ ছিল এই আকর্ষণীয় হ্যান্ডব্যাগটি। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
বর্ণিল পোশাকে এক মডেল। ছবিটি শনিবারের। ছবি: রয়টার্স
ফ্যাশন ডিজাইনার ব্র্যান্ডো ম্যাক্সওয়েলের পোশাকে র‍্যাম্পে জনপ্রিয় মডেল ও উদ্যোক্তা কার্লি ক্লস। শুক্রবার তোলা ছবি। ছবি: রয়টার্স
বিধু মালহোত্রার তৈরি করা পোশাকে রানওয়েতে এক মডেল। ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: রয়টার্স
মার্কিন মডেল জিজি হাদিদ পরেছেন ব্র্যান্ডো ম্যাক্সওয়েলের করা পোশাক। ছবিটি শুক্রবার তোলা। ছবি: রয়টার্স

বিশ্ব ফ্যাশন জগতের অন্যতম বড় এই আয়োজন শেষ হচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর। ছবিটি শনিবার তোলা। ছবি: রয়টার্স


আমেরিকায় তিন তারকা বন্ধুর খুনসুটি!

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার মঞ্চ থেকে মিডিয়াতে নাম লেখান নাফিজা জাহান। নাটক ও টেলিফিল্মে নিজেকে প্রমাণ করেন, হয়ে ওঠেন ব্যস্ত তারকা। কিন্তু অভিনয়ের ব্যস্ততা ছেড়ে ২০১৩ সালের মাঝামাঝি দেশ ছাড়েন তিনি, পাড়ি জমান আমেরিকায়।

Picture


তারপর ছয় মাস পরে দেশে ফিরে এসেছিলেন নাফিজা। হাতেগােনা কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে আবারও উড়াল দেন যুক্তরাষ্ট্রে। তখন গুঞ্জন উঠেছিল সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল ও অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদের ভাগ্নে দীপকে বিয়ে করেছেন নাফিজা। তবে তিনি সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছিলেন ২০১৫ সালে। কিন্তু শেষমেষ সেই গুঞ্জনই সত্যি হয়। দীপকেই বিয়ে করে দিব্যি সংসার শুরু করেন আমেরিকায়।

এরপর আর দেশে ফিরে আসেননি। অভিনয়কে বিদায় দিয়ে, এমনকি দেশ ছেড়েই একেবারে স্থায়ী হয়ে যান আমেরিকাতে। বর্তমানে সপরিবারে সেখানে আছেন একসময়কার অভিনেত্রী নাফিজা জাহান। ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি বেশ সচল রয়েছেন।
alt
অন্যদিকে, বাংলাদেশি তারকা দম্পতি হিল্লোল ও নওশীন এখন রয়েছেন আমেরিকায়। একটানা ঈদের শুটিং শেষ করে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন আমেরিকায়। মিডিয়াতে যেহেতু আগে থেকেই অভিনেত্রী নাফিজা, নওশীন ও অভিনেতা হিল্লোল পরিচিত। সেখানে তাদের দেখা হওয়ায় বেশ খুনসুটিতে মেতে উঠেছিলেন তিনি। কারণ তাদের মধ্যেও রয়েছে বেশ ভালো বন্ধুত্ব। তার উপর বেশ অনেক বছর পর দেখা হওয়া তো আছেই। আসছে ঈদুল আযহা। সব মিলিয়ে বলতে গেলে বেশ ভালোই আড্ডায় মেতে উঠেছেন তারা। ঈদের এই আনন্দ কাটিয়ে আবারও দেশে ফিরে আসবেন তারকা দম্পতি হিল্লোল ও নওশীন। এসে অভিনয়ে আবার নিয়মিত হবেন।


শিল্পী আবদুল জব্বারের প্রথম ও শেষ অ্যালবাম

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বের হয় দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী মো. আবদুল জব্বারের মৌলিক গানের অ্যালবাম ‘কোথায় আমার নীল দরিয়া’। অ্যালবামটিতে নয়টি গান রয়েছে। গানগুলো লিখেছেন মো. আমিরুল ইসলাম।সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন গোলাম সারোয়ার।চলতি বছরই প্রকাশিত এ অ্যালবামই তার প্রথম ও শেষ অ্যালবাম। এতে উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছে, আমি আপন ঘরের জানলাম না খবর, মা আমার মসজিদ, এখানে আমার পদ্মা মেঘনা, প্রেমের বিষকাঁটা, নয়নে মেখো না কাজল, আমি দুঃখকে বলেছি ইত্যাদি।


অ্যালবাম সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়ায় শিল্পী আবদুল জব্বার বলেছিলেন, ‘এটি আমার প্রথম অ্যালবাম। এ অ্যালবামটি করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। গানগুলোর কথা অসাধারণ। এর মধ্যে মা, মাটি, দেশ, ধর্ম, সমাজ সবই আছে। আশা করছি, দেশের ও দেশের বাইরের অগণিত ভক্ত-শ্রোতাদের কাছে অ্যালবামটি জনপ্রিয়তা পাবে।’ সত্যিকারের সঙ্গীতপ্রেমী এবং নতুন শিল্পীরা এ অ্যালবামের গান থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবে বলে মনে করেন শিল্পী আবদুল জব্বার।


তাঁকে আমরা গুরু বলে ডাকতাম

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : আবদুল জব্বার (১৯৩৮–৩০ আগস্ট ২০১৭)চলে গেলেন বহু জনপ্রিয় বাংলা গানের শিল্পী, মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী আবদুল জব্বার। তাঁর গাওয়া ‘ও রে নীল দরিয়া’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘পিচঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি’, ‘শত্রু তুমি বন্ধু তুমি’, ‘তারা ভরা রাতে’, ‘তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়’সহ বহু বাংলা গান এখনো সমান জনপ্রিয় বাঙালির কাছে। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত সংগীত ও বিনোদন অঙ্গনের তারকা এবং তাঁর সহকর্মীরা ব্যক্ত করলেন তাঁদের প্রতিক্রিয়া

কী দরদ ছিল তাঁর গলায়

ফারুক, অভিনেতা

‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি যখন ধারণ করা হয়, পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুনের ডাকে তখন স্টুডিওতে গিয়েছিলাম। চূড়ান্ত রেকর্ডিংয়ের আগে মহড়ায় হারমোনিয়াম ও তবলায় যখন গানটি গাওয়া হচ্ছিল, তখন খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু যখন ফাইনাল টেক হলো, তখন গানটি আমাদের নাড়া দিল। আমি অবশ্য বলেছিলাম, যেহেতু অভিনয় করব, আমার ঠোঁটের সঙ্গে গানটি মানানসই হতে হবে। সিনেমা ডিরেক্টরস মিডিয়া, তখনকার পরিচালকেরা ভীষণ বিচক্ষণ ছিলেন। কাকে দিয়ে কোন গান গাওয়াতে হবে, সেটা তাঁরা সঠিকভাবেই নির্ধারণ করতেন। কী দরদ ছিল তাঁর গলায়। কম শিল্পীকেই পাওয়া যায়, যিনি এতটা দরদ ঢেলে গাইতে পারেন। দারুণ মেধাবী লোক ছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই কণ্ঠ তিনি নষ্ট করে ফেলেন। তাঁর মতো কণ্ঠ এ দেশে খুব কম পাওয়া যায়। তাঁর এই গান সব শ্রেণির মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিল। শুধু দেশে নয়, দেশের বাইরেও ছড়িয়ে গেছে গানটির জনপ্রিয়তা।

সম্পর্কের জায়গা সব সময় ঠিকঠাক ছিল

সৈয়দ আবদুল হাদী, সংগীতশিল্পী

আবদুল জব্বার আমার দীর্ঘদিনের সহযাত্রী। সেই ষাটের দশক থেকে আমরা একসঙ্গে, দারুণ সম্পর্ক ছিল। ওই সময়ে আমাদের দেখা হতো রেডিওতে। কথা ও আড্ডা হতো। আমাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়াও হতো, রাগারাগি হতো। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের জায়গাটা ঠিকঠাক ছিল সব সময়। গত বছর একটা অনুষ্ঠানে যখন আমার সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখনো তিনি অসুস্থ ছিলেন। ওই সময়ে আমার সঙ্গে অনেক কিছু নিয়ে কথা হয় তাঁর। ওটাই আমার সঙ্গে জব্বারের শেষ দেখা।

তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন

সাবিনা ইয়াসমীন, সংগীতশিল্পী

জব্বার ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি। কোনটি রেখে কোনটি বলব। আমার যখন সাত-আট বছর বয়স, তখন থেকেই তিনি আমাকে চিনতেন। আমার বড় বোন যখন তাঁর সঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতে যেতেন, আমিও সঙ্গে যেতাম। সেই থেকে শুরু। তারপর তো নিজে নিয়মিত গান গাওয়া শুরু করলাম। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমরা দ্বৈতকণ্ঠে গান করেছি। অনেক গান তো মানুষের মুখে মুখে ছিল ওই সময়। যেমন ‘জীবনও আঁধারে, পেয়েছি তোমারে’, ‘সুরে আগুনে’, ‘লাজুক লতা’—এ রকম বেশ কিছু গান। সবচেয়ে খারাপ লাগছে যে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দুজন প্রিয় মানুষ চলে গেলেন।

তাঁর হাত ধরেই চলচ্চিত্রে গান করি

খুরশীদ আলম, সংগীতশিল্পী

১৯৬৫ সালের দিকে জব্বার ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়। পরিচয়ের পর একদিন বললেন, ‘ছোট ভাই, চলো গান গেয়ে আসি।’ আমাকে নিয়ে গেলেন টাঙ্গাইলের করটিয়া কলেজে। ওই দিনই আমি প্রথম মঞ্চে গান করেছিলাম। তা-ও প্রায় ১৫ হাজার দর্শকের সামনে। শুধু তা-ই নয়, তাঁর হাত ধরেই আমি চলচ্চিত্রে গান করি। মতিমহল সিনেমাসহ বেশ কিছু সিনেমায় গান করেছি আমি। আমাকে অনেক স্নেহ করতেন তিনি।

তাঁকে আমরা গুরু বলে ডাকতাম

রফিকুল আলম, সংগীতশিল্পী

তিনি শুধু একজন মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, সর্বকালের গানের যোদ্ধা ছিলেন। আমরা যখন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গান করতাম, তখন তাঁকে ডাকতাম গুরু বলে। তিনি আমাদের শাগরেদ বলে ডাকতেন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি সরাসরি আমাদের কিছু শেখাতেন না, নানা ধরনের উপমা দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন। আমার সঙ্গে এ বছরও দেখা হয়েছে একটা টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে। আমাকে বলেছিলেন, ‘গান তো করতে চাই, কিন্তু শরীরের দুটো জিনিস খুব যন্ত্রণা দিচ্ছে।’ আমি তাঁর সঙ্গে মজা করে বললাম, ‘আপনি ওই দুটো জিনিস দিয়ে গান করবেন নাকি।’ আমার কথা শুনে তিনি হেসে ফেললেন। এককথায়, তিনি অসাধারণ মানুষ ছিলেন।

আমরা একটি গোল্ডেন ভয়েজ হারালাম

আলম খান, সুরকার ও সংগীত পরিচালক

তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৬৭ সালে এক রেকর্ডিংয়ে। তখন আমি যন্ত্রশিল্পী এবং জব্বার কণ্ঠশিল্পী। আমার সুরে তিনি প্রথম প্লেব্যাক করেন শ্লোগান ছবিতে, ‘কী সুখ পাও তুমি’ গানটি। এরপর ‘ও মনের ময়না’সহ আরও কিছু গান করেছেন। সারেং বউ ছবির ‘ওরে নীল দরিয়া’ গানটি আমি তাঁর কথা মাথায় রেখেই সুর করেছিলাম। কিন্তু যখন প্রস্তাব করি তিনি বলছিলেন, খান (আমাকে এভাবেই সম্বোধন করতেন), আমি তো গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। ১৯৭৮ সালের কথা, তিনি সত্যিই গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁকে বলেছিলাম, গানটা আপনার জন্যই সুর করা হয়েছে। এই গান অন্য কেউ গাইতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত তিনি রাজি হন এবং গানটি গাইলেন। আজ আমি বলব, আমরা একটি গোল্ডেন ভয়েজ হারালাম।


নতুন গানের ভিডিও নিয়ে আসছেন কানাডা প্রবাসী শাহানা

বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান কণ্ঠশিল্পী শাহানা কাজী। প্রবাসে থাকলেও দেশীয় গান দিয়ে সেখানে সুনাম কুড়িয়েছেন এই শিল্পী। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মিউজিক ভিডিও নিয়েও দর্শকদের সামনে চমক নিয়ে আসছেন প্রবাসী এই শিল্পী। শাহানা কাজী বলেন, ‘একটা সময় শ্রোতারা গান শুনতেন। এখন মানুষের চাহিদার পরিবর্তন হয়েছে। তারা গান শোনার পাশাপাশি এর দৃষ্টিনন্দন ভিডিও দেখতে চান। শ্রোতারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে জানিয়েছেন, আমার গানের মডেল হিসেবে আমাকে মিউজিক ভিডিওতে দেখতে চান। দর্শক-শ্রোতাদের আগ্রহের কারণেই আমি নতুনরূপে হাজির হচ্ছি।’

শাহানা কাজী টরেন্টোর ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ২০১৫ সালের পহেলা বৈশাখে কানাডার অন্টারিও প্রদেশ থেকে প্রকাশ হয় শাহানার প্রথম একক অ্যালবাম ‘ভালোবাসার কথা’। সম্প্রতি কানাডার টরেন্টোর এয়ার কানাডা সেন্টারে অনুষ্ঠিত বৃহত্তম বলিউড কনসার্টে একই মঞ্চে গান করেন শাহানা কাজী, সুপারস্টার আতিফ আসলাম এবং বলিউডের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সনু নিগম।

Picture

এ প্রসঙ্গে শাহানা কাজী বলেন, ‘কানাডায় আমার আগে কখনো কোনো বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী এত বড় এবং মর্যাদাপূর্ণ ওয়ার্ল্ড স্টেজে গান করেননি।’

এয়ার কানাডা সেন্টারে আগামী কয়েক মাসের কনসার্টগুলোতে গান করার জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছেন শাকিরা, জ্যানেট জ্যাকসন, লেডি গাগা, কেটি পেরি, পিটবুল, গানস এন রোজেসসহ আরো অনেকে। শাহানা কাজী এর আগে টরেন্টোর হারশী সেন্টারে অনুষ্ঠিত আরো তিনটি বড় কনসার্টে আতিফ আসলাম ছাড়াও বলিউডের বিশ্বনন্দিত কণ্ঠশিল্পী কুমার শানু, অলকা ইয়াগনিক, সুনিধি চৌহান ও আয়ুষ্মান খোরানার সঙ্গে একই মঞ্চে লাইভ পারফরম করে শ্রোতাদের মাতিয়েছিলেন।আতিফ আসলামের সঙ্গে এটি ছিল তার দ্বিতীয় কনসার্ট।

তবে লাইভ কনসার্টের এত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি শ্রোতাদের জন্য তার দ্বিতীয় একক অ্যালবাম তৈরি করছেন। আসছে নতুন বছরে অ্যালবামটি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় শাহানা কাজীর ভেরিফাইড ফেসবুকে ফলোয়ার প্রায় আঠার লাখ।


হিন্দি সিনেমা করবেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মম

সোমবার, ২৮ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : অভিনেত্রী জাকিয়া বারি মম এবার অভিনয় করবেন হিন্দি চলচ্চিত্রে। যে চলচ্চিত্রে কাজ করবেন সেটির নাম এখন জানা যায়নি। উক্ত চলচ্চিত্র পরিচালনা করবেন ফয়সাল সাইফ। আসন্ন ঈদের পর পরই উক্ত সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হবেন জাকিয়া বারি মম।

এ প্রসঙ্গে তিনি একটি গণমাধ্যমে জানিয়েছেন- ‘আমার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমি মৌখিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে কাগজে-কলমে চুক্তি হতে একটু দেরি হচ্ছে। তাই ঈদের পর ভারত যাচ্ছি, সেখানে চুক্তিবদ্ধ হব। গল্প পাঠানো হয়েছিল। পছন্দ হয়েছে আমার। আর সব কিছু ঠিক থাকলে ছবিটির শুটিং শুরু হবে ডিসেম্বরে’।

Picture

ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষের উপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে সিনেমার গল্পটি। জাকিয়া বারি মম বলেন- ‘এমন একটি গল্পের ছবিতে কাজ করব, বিষয়টি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং। গল্পের কাহিনী নারীকেন্দ্রিক। এ ছবির মূল নায়ক বা নায়িকা বলতে আমিই। আর ফয়সাল সাইফ আমাকে ভাষার চেয়ে অভিনয়ের ব্যাপারে বেশি জোর দিতে বলেছেন’।

ইতোমধ্যে ‘স্বপ্নবাড়ি’ নামক একটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন মম, যা পরিচালনা করেছেন তানিম রহমান অংশু। অপরদিকে পরিচালক ফয়সাল সাইফ- ইতোপূর্বে ‘শয়তান’ নামে একটি ছবি নির্মাণ করেছেন বাংলাদেশে।


নিউইয়র্কে কন্যার মা হলেন অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান

বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ: অভিনয়শিল্পী রিচি আবারও মা হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে আজ সকালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রিচির কন্যা হয়েছে। অভিনেত্রী রিচি সোলাইমানের কোলজুড়ে এসেছে ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান।

Picture

২১ আগস্ট সোমবার স্থানীয় সময় বেলা ২টা ৪৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কুইন্সে প্রেসবেটিরিয়ান হসপিটালে রিচির অস্ত্রোপচার করা হয়। রিচির মেয়ের নাম রাখা হয়েছে ইলমা রায়া মালিক। রিচির স্বামী রাশেক মালিক ২২ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে এ খবর জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, মা আর নবজাতক সুস্থ আছেন।

alt
রিচি এখন যুক্তরাষ্ট্রে, তার স্বামীর কাছে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। এর আগে ২০১০ সালের ১ অক্টোবর প্রথম সন্তানের বাবা-মা হন তারা। ছেলের নাম রাইয়ান। রিচি বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। রিচির স্বামী রাদেশ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের একজন কর্মকর্তা।


শরণার্থী থেকে নায়করাজ হওয়ার গল্প

বুধবার, ২৩ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : ‘আমি আমার জীবনের অতীত ভুলি না। আমি এই শহরে রিফিউজি হয়ে এসেছি। স্ট্রাগল করেছি। না খেয়ে থেকেছি। যার জন্য পয়সার প্রতি আমার লোভ কোনোদিন আসেনি। ওটা আসেনি বলেই আজকে আমি এতদূর শান্তিতে এসেছি।’ এক বিশেষ সাক্ষাত্কারে কথাগুলো বলেছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক।

আজ তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। কিন্তু তার এই দীর্ঘপথ চলা কি এতো সহজ ছিলো? ভক্তদের কাছে রাজ্জাক হিসেবে পরিচিত হলেও উনার নাম আব্দুর রাজ্জাক। জন্ম ১৯৪২ সালে কলকাতায়। ১৯৬৪ সালে শরণার্থী হয়ে ঢাকায় আসেন এই মহান নায়ক। এর পর জড়িয়ে পড়েন চলচ্চিত্রে। দু’একটা সিনেমায় ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করার পর ৬৭ সালে মুক্তি পায় নায়ক হিসেবে তার প্রথম ছায়াছবি বেহুলা। সেই থেকে শুরু।

প্রায় ৫০ বছরের অভিনেতা হিসেবে রাজ্জাকের ঝুলিতে রয়েছে ৩০০’র মতো বাংলা ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিই পেয়েছে ক্লাসিকের খ্যাতি।

১৯৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল শূন্য হাতে ঢাকায় পৌঁছেন রাজ্জাক। সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন পীযূষ বসুর চিঠি এবং পরিচালক আবদুল জব্বার খান ও শব্দযন্ত্রী মনিবোসের ঠিকানা। স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে স্টেডিয়ামে শত-শত উদ্ধাস্তুদের ভিড়ে রেখে রাজ্জাক গিয়ে দেখা করেন পরিচালক আবদুল জব্বার খানের সঙ্গে। তিনি রাজ্জাককে আশ্বাস দেন। রাজ্জাক পরে কমলাপুর এলাকায় মাসিক আশি টাকা ভাড়ায় বাসা ঠিক করে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে ওঠেন। উদ্বাস্তু রাজ্জাকের আশ্রয় মিলল ঠিকই কিন্তু জীবিকা অর্জনের কোনো পথ নেই। তিনি দেখা করেন শব্দযন্ত্রী মনিবোসের সঙ্গে। ঘুরে বেড়ান চিত্রপুরীর অফিসে-অফিসে কাজের তাগিদে। দেখা করেন এহতেশাম, মোস্তাফিজ, সুভাষ দত্ত, সৈয়দ আওয়াল প্রমুখের সঙ্গে। কিন্তু ততটা পাত্তা পান না। কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। পরিচালক আবদুল জব্বার খান তাকে কাজের সুযোগ করে দেন ‘ইকবাল ফিল্মস’ প্রতিষ্ঠানে। এ প্রতিষ্ঠানের ছবি ‘উজালা’য় তিনি হন পরিচালক কামাল আহমেদের সহকারী। সহকারী হিসেবে দ্বিতীয় ছবি ‘পরওয়ানায়’ কাজ শুরু করেন। কিন্তু ছবির কাজ শতকরা আশি ভাগ হওয়ার পরই তিনি সহকারীর কাজ ছেড়ে দেন। কাজ ছেড়ে দেয়ার কারণ, তিনি ছবিতে অভিনয় করবেন। এ জন্য শুরু হয় রাজ্জাকের আবার নতুন সংগ্রাম।

১৯৬৬ সালের ২৮ অক্টোবর জহির রায়হান পরিচালিত পৌরাণিক ছবি ‘বেহুলা’ মুক্তি পায়। ওই ছবি মুক্তির পর দর্শকরা পরিচিত হলেন নতুন নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে। দেখতে অনেকটা উত্তম কুমার ও বিশ্বজিতের মতো, হাসিখুশি, বয়সে তরুণ এ নবাগত নায়ককে দর্শকরা লুফে নেন বেহুলারূপী সুচন্দার বিপরীতে। এরপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি নায়করাজকে।

Picture

যেভাবে মারা গেলেন নায়ক রাজ রাজ্জাক

বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র নায়ক রাজ রাজ্জাক। সোমবার সন্ধ্যা ৬ টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। বেশ কয়েক বছর ধরে নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত বেশ কিছু জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বাসায় কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের পর ৫টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে আনা হয় নায়ক রাজ রাজ্জাককে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের প্রায় ১ ঘন্টার চেষ্টায়ও ফেরানো সম্ভব হয়নি এ কিংবদন্তীকে। শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নায়ক রাজ রাজ্জাকের জীবনের শেষ বয়সে বেশীর ভাগ সময় তাকে কাটাতে হয়েছে হাসপাতালের কেবিনে। গুরুতর শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি।

এছাড়া বার্ধক্যের কারণে আরও বেশ কিছু সমস্যা তার শরীরে জেঁকে বসেছিল। ২০১৫ সালের জুনে প্রচণ্ড অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে নায়ক রাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে এবার সত্যি সত্যিই ‘আকাশের তারা’ হলেন বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বলতম এ তারকা।

 যেভাবে তিনি 'নায়করাজ' হয়ে উঠলেন

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তিনি 'নায়করাজ' হিসেবে পরিচিত। চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি যতটা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন সেটি অনেকটা বিরল। ১৯৬০'র দশক থেকে শুরু করে প্রায় তিন দশক বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে দাপটের সাথে টিকে ছিলেন নায়ক রাজ্জাক। তার আসল নাম আব্দুর রাজ্জাক।

আব্দুর রাজ্জাকের জন্ম ১৯৪২ সালে কলকাতায়। ১৯৬৪ সালে শরণার্থী হয়ে ঢাকায় আসেন। এরপর জড়িয়ে পড়েন চলচ্চিত্রে। দু'একটা সিনেমায় ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করার পর ৬৭ সালে মুক্তি পায় নায়ক হিসেবে তার প্রথম ছায়াছবি বেহুলা। সেই থেকে শুরু।

রাজ্জাকের সাথে এক সময় বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন নায়ক ফারুক। বয়সের বিবেচনায় রাজ্জাক ফারুকের সিনিয়র হলেও চলচ্চিত্রে তারা অনেকটা সমসাময়িক ছিলেন।
ফারুক বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রে খ্যাতিমান পরিচালক জহির রায়হান নায়ক হিসেবে রাজ্জাককে চলচ্চিত্রে নিয়ে আসেন দর্শকদের সামনে।

জহির রায়হান পরিচালিত 'বেহুলা' চলচ্চিত্র নায়ক হিসেবে আবির্ভাবের পর রাজ্জাককে আর পেছন দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি। ক্রমান্বয়ে খ্যাতির শীর্ষে উঠেছেন তিনি।

ফারুক বলেন, "বেহুলাতে তিনি (রাজ্জাক) হঠাৎ করে থার্ড বা সেকেন্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে জহির রায়হান সাহেব তাকে (রাজ্জাককে) যে কোনো কারণেই হোক চট করে তার চোখে পড়ে যায়। এটাই হলো তার ভাগ্য। সে ছবির যে ব্যবসা সেখান থেকে মানুষ তাকে লুফে নিয়েছে। "

প্রায় ৫০ বছর ধরে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করছেন রাজ্জাক। ২০১৫ সালেও তার অভিনীত একটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল। ২০১৬ সালে ৭৫তম জন্মবার্ষিকীতে বিবিসিকে রাজ্জাক বলেন, "আমি আমার জীবনের অতীত ভুলি না। আমি এই শহরে রিফিউজি হয়ে এসেছি। স্ট্রাগল করেছি। না খেয়ে থেকেছি। যার জন্য পয়সার প্রতি আমার লোভ কোনোদিন আসেনি। ওটা আসেনি বলেই আজকে আমি এত দূর শান্তিতে এসেছি। "

রাজ্জাকের সমসাময়িক চিত্রনায়ক ফারুক মনে করেন রাজ্জাক তার সময়ে অভিনয়কে কাজে লাগিয়েছেন। ফারুক বলেন, "এ ভাগ্যবান মানুষটি তার জীবনের প্রতিটি সেকেন্ড কাজে লাগিয়েছেন। তিনি যখন বাংলা সিনেমায় অভিনয় শুরু করলেন তখন উর্দু সিনেমার বেশ চাহিদা ছিল। কিন্তু বাঙালি চাইতো তার মনের কথা চলচ্চিত্রে কেউ বলুক। "

রাজ্জাক-কবরী জুটির কথা এখনো বহু দর্শকের কাছে সফল রোমান্টিক জুটির উদাহরণ হয়ে আছে। বেশ ক'বছর আগে বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে কবরী বলেছিলেন চলচ্চিত্রে তাদের দু'জনের মাঝে চমৎকার বোঝাপড়া ছিল।

বিশেষ করে রোমান্টিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় এ জুটি পরস্পরকে ভালোভাবে বুঝতেন। কবরী বলেন, "রাজ্জাকের সঙ্গে অভিনয় করার সময় প্রেমের দৃশ্যগুলো সত্যি এতো প্রাণবন্ত ছিল যে মনে হতো অভিনয়ের মধ্যেই আমি ভালোবাসছি। আমাদের আশপাশে যারা ছিল - ক্যামেরাম্যান, মেকাপম্যান, প্রডিউসার কিংবা ডিরেক্টর - সবাই জানতো কবরীর সঙ্গে রাজ্জাকের সুসম্পর্ক। সে জন্যই আমার মনে হয় আমাদের দু'জনের এতো সাকসেস। "

নিজের ক্যারিয়ারে রাজ্জাক পাঁচবার শ্রেষ্ঠ নায়কের পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়াও তাঁর ঝুলিতে আছে অসংখ্য পুরস্কার। বাংলাদেশের বাইরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও পরিচিত ছিলেন তিনি।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ্জাক যখন রাজত্ব করছেন, সে সময় পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের দাপট ছিল বাংলাদেশের দর্শকদের মাঝে। কিন্তু সে সময় নায়ক রাজ্জাক তার একটি স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নায়ক রাজ্জাক যে দাপট এবং অভিনয় প্রতিভা রেখে গেছেন সেটি অনেক দিন টিকে থাকবে দর্শকদের মনে।


মা হচ্ছেন অভিনেত্রী রিচি, আমেরিকায় সাতোশা অনুষ্ঠান

রবিবার, ২০ আগস্ট ২০১৭

আয়েশা আকতার রুবী,বাপসনিঊজ:নিউইয়র্ক (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে : সন্তানের বয়স সাত মাস পূর্ণ হলে ‘বেবি সাওয়ার’ বা ‘সাতোশা’ নামের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করার প্রচলন আছে বাঙালি সংস্কৃতিতে। সুদূর আমেরিকায় গিয়েও নিজের সংস্কৃতি ভুলে যাননি জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী রিটা ফারিয়া রিচি।দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তাই তিনি বর্তমানে আমেরিকাতেই আছেন স্বামীর কাছে। সেখানেই  নিজের নিকট বন্ধু ও আত্মীয়দের উপস্থিতিতে রিচি ‘সাতোশা’ অনুষ্ঠান পালন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী অভিনেতা টনি ডায়েস, অভিনেত্রী রোমানা, নাট্য নির্মাতা সৈয়দ জামিম সহ অনেকেই।

alt

টনি ডায়েস ‘সাতোশা’ অনুষ্ঠানের ছবি তার ফেসবুকে পোস্ট করে পাঁচ ঘণ্টা আগে লিখেন, ‘সুন্দর কাটলো বিকেলটা। প্রজন্ম আগমনের বার্তা জানান দিচ্ছে। ছিল রিচির বেবী শাওয়ার। সবাই মিলে হৈচৈ আর আনন্দ করলাম। এক প্রজন্ম চলে যাচ্ছে আরেক প্রজন্ম জায়গা করে নেবে এই সুন্দর পৃথিবীতে। এটাইতো নিয়ম। তারপরও কাউকে হারাতে মন চায় না। দোয়া করি সব কিছু সুন্দর ভাবে হোক।’ ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাশেকুর রহমানকে বিয়ে করেন রিচি। ২০১০ সালের ১ অক্টোবর প্রথম সন্তানের বাবা-মা হন তারা। ছেলের নাম রাখেন রায়ান রিদোয়ান মালিক। এই দম্পতি এখন অপেক্ষায় আছেন তাদের দ্বিতীয় সন্তানের মুখ দেখার।

Picture

বলে রাখা ভালো, ১৯৯৮ সালে বেগম মমতাজের রচনায় ফারুক ভূইয়া প্রযোজিত ধারাবাহিক নাটক 'বেলা অবেলা'র মধ্য দিয়ে রিচি সোলায়মানের মিডিয়ায় অভিষেক ঘটে। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন টনি ডায়েস। এরপর তিনি অসংখ্য একক নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। রিচি অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে 'নাবিলা চরিত', 'নীড়', 'জোছনাকাল', 'বনলতা সেন', 'অনুরাগ', 'অন্ধকারের ফুল', 'ময়ূর বাহন', 'নিশীথে', 'ত্যাগ' ইত্যাদি।


তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

বাপ্ নিউজ : উপমহাদেশের অন্যতম খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজের সাবেক প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ রবিবার।খ্যাতিমান এই ব্যক্তিদ্বয়ের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন শুক্রবার থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনিরের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ


২০১১ সালের ১৩ আগস্ট মানিকগঞ্জে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এ দু’জনসহ পাঁচ জন প্রাণ হারান। নতুন চলচ্চিত্র ‘কাগজের ফুল’-এর শুটিংয়ের স্থান দেখতে তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনির সহকর্মীদের নিয়ে মানিকগঞ্জে যান। ফেরার পথে মানিকগঞ্জেই সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তারা।